Our team has over 7,000,000 traders!
Every day we work together to improve trading. We get high results and move forward.
Recognition by millions of traders all over the world is the best appreciation of our work! You made your choice and we will do everything it takes to meet your expectations!
We are a great team together!
InstaSpot. Proud to work for you!
Actor, UFC 6 tournament champion and a true hero!
The man who made himself. The man that goes our way.
The secret behind Taktarov's success is constant movement towards the goal.
Reveal all the sides of your talent!
Discover, try, fail - but never stop!
InstaSpot. Your success story starts here!
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে হকিশ বা কঠোর মুদ্রানীতি ও সুদের হার বৃদ্ধির পক্ষে জোরালো অবস্থানের বিষয়টি আরও দৃঢ় হওয়ায় মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরোর দর কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে; আর গতকাল ক্রোয়েশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আন্তে জিগমান এই পক্ষের নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের প্রথম প্রকাশ্য বক্তব্যে তিনি ইউরোপীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার অগ্রাধিকারের বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই তাদের প্রধান কাজ। তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে উল্লেখ করেন যে, জ্বালানি তেলের মূল্য কমে আসায় এই কাজটি কিছুটা সহজ হয়েছে।
জিগম্যানের যুক্তি অনুযায়ী ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সাথে সরাসরি মুদ্রাস্ফীতির বিষয়টি সংযুক্ত। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার ফলে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে, যা নিঃসন্দেহে এই খাতের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এটি সেই পারস্পারিক সম্পর্ক যা নিয়ে আমরা বহুবার আলোচনা করেছি: সস্তা জ্বালানি তেল মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমায় এবং এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকারদের কাজ সহজ হয়ে যায়। এই সপ্তাহে ব্রেন্ট ক্রুড গ্রেডের তেলের দর যুদ্ধ পূর্ববর্তী স্তর ৭২ ডলারের নিচে নেমে এসেছে, যা যুদ্ধের সময়কার মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবকে পুরোপুরি বিলীন করে দিয়েছে। জিগম্যানের গতকালের মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক জ্বালানি তেলের এই দরপতনকে মুদ্রাস্ফীতিকে লক্ষ্যমাত্রায় ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে একটি সহায়ক কারণ হিসেবেই দেখছে।
তা সত্ত্বেও, তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে মানেই এই নয় যে ইসিবি তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে সরে আসতে প্রস্তুত। বরং, গভর্নিং কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্যদের মনোভাব এখনও কঠোর। প্রধান অর্থনীতিবিদ ফিলিপ লেন সম্প্রতি বলেছেন যে, মুদ্রাস্ফীতি বেশ কিছুদিন ধরে ২ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার উপরেই থাকবে। ভাইস প্রেসিডেন্ট বরিস ভুজচিচ—যাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়ে জিগম্যান ক্রোয়েশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছেন—বলেছেন যে, 'সামগ্রিক এবং মূল উভয় ধরনের মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকবে। ইসাবেল শ্নাবেল ডি জাইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, মুদ্রাস্ফীতিকে লক্ষ্যমাত্রায় ফিরিয়ে আনতে সুদের হার আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
পরিস্থিতি এমনভাবে গড়ে উঠছে যে, জ্বালানি তেলের দাম কমে যাওয়া সত্ত্বেও ইসিবির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য আর্থিক নীতিমালা হকিশ বা কঠোর করার (সুদের হার বাড়ানোর) পক্ষেই মত দিচ্ছেন।
জিগম্যান নিজেও স্পষ্ট করেছেন যে তিনি কোন পক্ষের সমর্থক। 'হকিশ' (কঠোর মুদ্রানীতির সমর্থক) এবং 'ডোভিশ' (নমনীয় মুদ্রানীতির সমর্থক)—এই দুই শিবিরের মধ্যে কাকে বেছে নেবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। ক্রোয়েশিয়ায় চরম মুদ্রাস্ফীতির সময় বেড়ে ওঠা একজন অর্থনীতিবিদ হিসেবে তিনি শিখেছেন যে, মুদ্রাস্ফীতির বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয় এবং সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষদের সুরক্ষায় সময়মতো পদক্ষেপ নিতে হয়। এটি একটি জোরালো ইঙ্গিত। গভর্নিং কাউন্সিলে নতুন যোগ দেওয়া এই সদস্য মুদ্রাস্ফীতির প্রতি তীব্র অনীহা পোষণ করেন; সুদের হার দ্বিতীয় দফায় বাড়ানোর আলোচনার ঠিক আগ মুহূর্তে তাঁর এই অবস্থান নিয়ন্ত্রক সংস্থার 'হকিশ' বা কঠোরপন্থী অংশকে আরও শক্তিশালী করে তুলল।
ইউরোর জন্য এটি সম্ভাব্য একটি ইতিবাচক দিক হতে পারে, তবে এর প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে জ্বালানি তেলের দরপতনের বিষয়টি কত দ্রুত মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদন প্রতিফলিত হয় তার ওপর। যদি জ্বালানির তেলের মূল্য কমার ফলে পরবর্তী প্রতিবেদনে মুদ্রাস্ফীতির হার কমে আসে, তবে 'ডোভিশ' বা নমনীয় নীতি-সমর্থকদের যুক্তি জোরদার হবে এবং জুলাই মাসে সুদের হার বাড়ানোর বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।
EUR/USD পেয়ারের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1370 লেভেলে পুনরুদ্ধার করতে হবে। কেবল এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1415 লেভেল টেস্টের সুযোগ উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1450-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যেতে পারে, তবে বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এটি করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। যদি এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টের দরপতন হয়, তাহলে এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 1.1330-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় আমি ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা করছি। সেখানে কেউ সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের 1.1270-এ দরপতনের পর্যন্ত অপেক্ষা করা বা 1.1230 থেকে লং পজিশন ওপেন করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
GBP/USD পেয়ারের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের মূল্যকে নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স 1.3185-এ পুনরুদ্ধার করতে হবে। শুধুমাত্র তাহলেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3230-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়বে। পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3270 এরিয়া নির্ধারণ করা যায়। দরপতনের ক্ষেত্রে, এই পেয়ারের মূল্য 1.3150-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবেন; যদি তারা সফল হয় এবং এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হয়, তাহলে তা বুলিশ পজিশনে গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3120 লেভেলের দিকে নেমে যেতে পারে, সেইসাথে 1.3100 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনাও রয়েছে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।