Our team has over 7,000,000 traders!
Every day we work together to improve trading. We get high results and move forward.
Recognition by millions of traders all over the world is the best appreciation of our work! You made your choice and we will do everything it takes to meet your expectations!
We are a great team together!
InstaSpot. Proud to work for you!
Actor, UFC 6 tournament champion and a true hero!
The man who made himself. The man that goes our way.
The secret behind Taktarov's success is constant movement towards the goal.
Reveal all the sides of your talent!
Discover, try, fail - but never stop!
InstaSpot. Your success story starts here!
ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সম্প্রতি আশাব্যঞ্জক বিবৃতি দিয়েছে যে দেশটি মুদ্রাস্ফীতির চাপ কাবু করতে সক্ষম হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি যা দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও জনগণকে উদ্বিগ্ন করে রাখছিল, সেটি বিবেচনায় এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্জন। তবে অর্থনীতিতে প্রায়শই এক যুদ্ধে জয় পেলে অন্য চ্যালেঞ্জের পথ উন্মোচিত—এবার ব্রিটিশ আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্মসংস্থানের ক্রমবর্ধমান সঙ্কটের ওপর অধিকতর নজর দিচ্ছে।
গতকালকের বৈঠকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে মূল সুদের হার 3.75%-এ অপরিবর্তিত রাখা হবে। এই সিদ্ধান্ত সহজ ছিল না—অন্তত আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির ভোটাভুটির অনুপাত সেই ইঙ্গিতই দেয়: ৫ জন সদস্য সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে ভোট প্রদান করেছেন, আর ৪ জন সুদের হার হ্রাস পক্ষে ছিলেন। এমন বিভাজন বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অনিশ্চয়তাকে এবং মুদ্রাস্ফীতির নিয়ন্ত্রণ বনাম শ্রমবাজারকে সহায়তা করার সিদ্ধান্তের জটিলতাকে তুলে ধরে।
একদিকে উচ্চ সুদের হার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং তা পুনরায় তীব্র বৃদ্ধি পাওয়া থেকে প্রতিহত করে। অন্যদিকে, এই সিদ্ধান্ত শ্রমবাজার পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, কারণ উচ্চ সুদের হার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে মন্থর করতে পারে এবং ফলে শ্রম চাহিদা হ্রাস পেতে পারে। অতএব, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড একটি কঠিন পরিস্থিতি মুখোমুখি: মুদ্রাস্ফীতি দমন করে অর্থনৈতিক মন্দা এবং বেকারত্ব বাড়ার ঝুঁকি নেয়া উচিত, না কি কর্মসংস্থান উদ্দীপিত করার জন্য মূল্যস্ফীতি পুনরায় বৃদ্ধি পেতে দেয়া উচিত।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমান কঠোর আর্থিক নীতিমালার অর্থবহ প্রভাবের ফলে নভেম্বরের পূর্বাভাসের তুলনায় বেকার ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় 110,000 বেশি বাড়ার সম্ভাবনা আছে। নতুন পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে এ বছর প্রায় 108,000 মানুষ চাকরি হারাতে পারেন। বসন্তের দিকে বেকারত্ব হার 5.3% ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে, এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ২০২৬ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস তীব্রভাবে সমন্বয় করে 1.2% থেকে 0.9%-এ নামিয়ে এনেছে।
ব্যাংক অব ইংল্যান্ড উল্লেখ করেছে, "মুদ্রাস্ফীতির হার বর্তমান 3.4% থেকে এপ্রিলের মধ্যে প্রায় 2%-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নেমে যাবে এবং পরবর্তী তিন বছর সেই স্তরেই থাকবে।" ২০২৬ সালে যদি দুইবার 0.25 শতাংশ পয়েন্ট করে সুদের হার হ্রাস করা হয় এবং সুদের হার 3.25%-এ নেমে আসে, তবুও ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ধারণা করছে তারা মুদ্রাস্ফীতি কাবু করতে সক্ষম হয়েছে।
ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের উপ-গভর্নর ডেভ রামসডেন বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে মুদ্রানীতি গড়ে তোলা সবসময়ই একটি কঠিন আপসমূলক কার্যক্রম। তিনি বলেছেন, "আমাদের মনোযোগ রাখতে হবে নমনীয় অর্থনৈতিক কার্যক্রম, শ্রমবাজারের অবস্থা এবং মুদ্রাস্ফীতি—তাই আমরা এই ঝুঁকিগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখি।" কিন্তু গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি সেই ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন যে মুদ্রাস্ফীতি কমাতে বেকারত্ব বৃদ্ধি পেলেও কিছু করার নেই। বেইলি বলেছেন। "আমি এ ব্যাপারে ইতি টানতে চাই। আমরা বেকারত্বকে স্বাগত জানাতে চাই না। তবে এটি স্পষ্ট করছি আমাদের কাজ হচ্ছে মুদ্রাস্ফীতিকে লক্ষ্যমাত্রায় নামিয়ে আনা।" বেইলির সিদ্ধান্তই সম্ভবত পরবর্তীতে কবে সুদের হার হ্রাস করা হবে তা নির্ধারণ করবে—তিনি ব্যক্তিগতভাবে শ্রমবাজার পরিস্থিতি ক্রমবর্ধমান সংকটগুলো নিয়ে ঐকমত্য ব্যক্ত করলেও বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মতে যুক্তরাজ্যের স্বাভাবিক বেকারত্বের স্তর হচ্ছে 4.75%। যেকোনো নিম্ন মান মুদ্রাস্ফীতির ইঙ্গিত দেয়, আর যেকোনো উচ্চ মান ইঙ্গিত করে অর্থনীতি স্বাভাবিকভাবে কার্যকর হচ্ছে না। এর অর্থ হলো আগামী বছরের শুরু পর্যন্ত কর্মসংস্থান হ্রাসের সংখ্যা মোটামুটি 200,000-এর কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ড জানিয়েছে যে বেকারত্ব বৃদ্ধির মূল কারণ কর্মী ছাঁটাই নয়—বরং যথেষ্ট নিয়োগ না হওয়াই প্রধান কারণ।
বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নিকট ভবিষ্যতে সুদের হার কমানো হতে পারে এমন ধারণার উপর ভিত্তি করে ব্রিটিশ পাউন্ডের ট্রেডাররা সক্রিয়ভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে দরপতন ঘটেছে।
GBP/USD‑এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3590 অতিক্রম করাতে হবে। শুধুমাত্র তখনই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3630-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে; এর উপরে ব্রেক করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3660 এরিয়া নির্ধারণ করা যায়। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3545‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3510‑এ নেমে গিয়ে 1.3480‑এর দিকে দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।