The legend in the InstaSpot team!
Legend! You think that's bombastic rhetoric? But how should we call a man, who became the first Asian to win the junior world chess championship at 18 and who became the first Indian Grandmaster at 19? That was the start of a hard path to the World Champion title for Viswanathan Anand, the man who became a part of history of chess forever. Now one more legend in the InstaSpot team!
Borussia is one of the most titled football clubs in Germany, which has repeatedly proved to fans: the spirit of competition and leadership will certainly lead to success. Trade in the same way that sports professionals play the game: confidently and actively. Keep a "pass" from Borussia FC and be in the lead with InstaSpot!
নতুন সপ্তাহের শুরুতে বেশ শান্তভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং শুরু হয়েছে; মূলত এই পেয়ারের মূল্য শুক্রবারের ক্লোজিং প্রাইসের (1.1485 বনাম 1.1487) কাছাকাছিই অবস্থান করছে। ফেডারেল রিজার্ভ সেপ্টেম্বর মাসের বৈঠকে হকিশ বা কঠোর অবস্থান গ্রহণের বিষয়টি ট্রেডাররা ইতোমধ্যেই বিবেচনায় নিয়ে নিয়েছে এবং এই পেয়ার 1.14-এর এরিয়ায় ট্রেড করা হচ্ছে। তবে, এই পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকার জন্য এখন নতুন কোনো প্রভাবক বা প্রতিবেদন প্রয়োজন, অথচ এই সপ্তাহের অর্থনৈতিক সূচি অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। কিছুটা উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে রয়েছে বুধবার ইউরোজোনে প্রকাশিতব্য প্রাথমিক পিএমআই এবং বৃহস্পতিবার জার্মানির আইএফও সূচক।
শুধুমাত্র ওই প্রতিবেদনগুলোর ওপর ভিত্তি করে বিদ্যমান নিম্নমুখী প্রবণতা বদলানোর সম্ভাবনা কম। ইউরোজোনে প্রকাশিত অর্থনৈতিক সূচকের শক্তিশালী ফলাফল (অথবা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল) যদি ইউরোর ক্রেতাদের অনুকূলে থাকা একাধিক কারণের সাথে মিলে যায়, তাহলে বড় ধরনের কারেকশনের দেখা যেতে পারে; কিন্তু সার্বিক প্রবণতা পুরোপুরি বদলে ফেলার জন্য কেবল সাপ্তাহিক প্রতিবেদনের চেয়েও আরও বেশি কিছুর প্রয়োজন হবে।
চলতি সপ্তাহে তেমন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের চাপ না থাকায় EUR/USD পেয়ারের মূল্য বর্তমানে সাইডওয়েজ রেঞ্জে রয়েছে—তবে এই শান্ত পরিস্থিতি বিভ্রান্তিকর হতে পারে: নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা কোনো ভূ-রাজনৈতিক 'ব্ল্যাক সোয়ান' (অপ্রত্যাশিত ও আকস্মিক ঘটনা) যেকোনো সময় সামনে চলে আসতে পারে এবং মৌলিক পরিস্থিতির চিত্র পুরোপুরিভাবে বদলে দিতে পারে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রেডাররা মূলত ফেডারেল রিজার্ভ এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার ওপরই মনোযোগ দিয়েছেন। ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতি, যুক্তরাষ্ট্রের সিপিআই (CPI)/পিপিআই (PPI) এবং আগস্টের NFP প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল আটলান্টিকের উভয় প্রান্তের সুদের হারের ভবিষ্যৎ গতিপথের আলোকে বিচার করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে: ইসিবি সুদের হার বাড়ালেও সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে, অন্যদিকে ফেড সুদের হার বাড়িয়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি অব্যাহত থাকলে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
ফেডের এই কঠোর বা হকিশ অবস্থানই এখন মার্কিন ডলারকে সহায়তা করছে। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বছরের শেষ নাগাদ ফেড কর্তৃক সুদের হার আরও একবার বাড়ানোর সম্ভাবনা প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ। তাই, এমন কোনো ঘটনা যা এই সম্ভাবনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তা মার্কিন ডলারের জন্য—এবং সেই সাথে EUR/USD-এর সেলারদের জন্য—একটি বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতকে মূলত জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে সৃষ্ট মূল্যস্ফীতির প্রভাবের দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখা হয়েছে। আগস্ট মাসের মার্কিন ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) এই সংযোগটিকেই নিশ্চিত করেছে: এ সময়ে সামগ্রিক সিপিআই মাসিক ভিত্তিতে ০.৪% এবং বার্ষিক ভিত্তিতে ৩.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে; এর মধ্যে পেট্রোলের দাম ৩.৯% বেড়েছে, যা মাসিক ভিত্তিতে এই বৃদ্ধির এক-তৃতীয়াংশের বেশি অংশে অবদান রেখেছে। তবে কোর সিপিআই—অর্থাৎ জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের মূল্য বাদ দিয়ে হিসাব করা হয়—জুলাইয়ের ২.৫% থেকে কমে বার্ষিক ভিত্তিতে ২.৪%-এ নেমে এসেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে বর্তমানে মূল্যস্ফীতির চাপের বড় একটি অংশ মূলত জ্বালানি খাতেই সীমাবদ্ধ।
সংক্ষেপে: আপাতত কারেন্সি মার্কেটে শান্ত পরিস্থিতি বজায় থাকলেও মৌলিক প্রেক্ষাপট বেশ নাজুক—অপ্রত্যাশিত ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা এবং জ্বালানি তেলের দাম যেকোনো সময় EUR/USD-এর মূল্যের মুভমেন্ট বদলে দিতে পারে।
তাই, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতি এমন এক 'ব্ল্যাক সোয়ান' (অপ্রত্যাশিত ও অত্যন্ত প্রভাবশালী ঘটনা) হয়ে উঠতে পারে, যা মার্কেটের ট্রেডারদের বর্তমান মূল্যায়নে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তি, নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি হ্রাস এবং—সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে—জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়বে এবং সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় যে যতটুকু মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল, তা কমে আসবে। প্রসঙ্গত, আজ ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দর ২%-এর বেশি কমেছে; এর কারণ হলো কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতির নতুন আশা—ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে এবং তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সাথে বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি।
কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য নিঃসন্দেহে ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে ট্রেডারদের প্রত্যাশায় বড় প্রভাব ফেলবে। এর কার্যকারণ সম্পর্কটি বেশ স্পষ্ট: তেলের দাম কমলে তা সরাসরি সিপিআই (CPI)-এর অন্তর্ভুক্ত গ্যাসোলিন ও জ্বালানি খাতের খরচ কমিয়ে দেবে এবং কিছুটা সময় পর পরিবহন ও অন্যান্য ব্যবসায়িক ব্যয়ের ওপর চাপও শিথিল করবে। তেলের উচ্চমূল্য সত্ত্বেও কোর ইনফ্লেশন ইতোমধ্যেই তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল বা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।
ফলে, জ্বালানি খাতের এই আকস্মিক ধাক্কা যদি দ্রুত কেটে যায়, তবে ট্রেডাররা ফেডের পরবর্তী হকিশ বা কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ কারণ মার্কিন ডলারের বর্তমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বড় উৎস হলো মার্কিন আর্থিক নীতিমালা আরও কঠোর করার প্রত্যাশা (সুদের হার বৃদ্ধির চেয়েও এটি বেশি প্রভাব ফেলছে)।
সুতরাং, একটি অপ্রত্যাশিত কূটনৈতিক চুক্তি জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে, সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে এবং ফেডের সুদের হার সংক্রান্ত প্রত্যাশা পুনর্বিবেচনায় বাধ্য করে মার্কিন ডলারের ওপর বড় আঘাত হানতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, ইউরোজোনের অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল না পাওয়া সত্ত্বেও EUR/USD-এর বায়ারদের অবস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হবে।
এ কারণেই বর্তমানে EUR/USD-এর শর্ট পজিশন ওপেন করাটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ—বিশেষ করে আগামী দিনগুলোতে; কারণ আগামীকাল ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে এবং সেখানে ট্রাম্পের সাথে ইরানের প্রেসিডেন্টের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এমন বৈঠকের সম্ভাবনা মানেই যে নিশ্চিতভাবে চুক্তি হয়ে যাবে তা নয়, তবে ওয়াশিংটন ও তেহরান যে আলোচনায় ফিরতে আগ্রহী—এমন সামান্য ইঙ্গিতও ট্রেডারদের বর্তমান প্রত্যাশা ও মূল্যায়নে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটাতে পারে।
টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, স্বল্পমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্য সম্ভবত 1.1450–1.1530 রেঞ্জে অবস্থান করছে (H4-এ লোয়ার Bollinger ব্যান্ড — H4-এ কুমো ক্লাউডের আপার এজ)। তবে লোয়ার বাউন্ডারি ব্রেকের কোনো সিগন্যাল দেখা গেলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুন: বর্তমানে মার্কিন ডলারের প্রধান ঝুঁকি হলো মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ব্যাপারে কূটনৈতিক সাফল্য, তাই আলোচনায় অগ্রগতি সংক্রান্ত কোনো সংবাদ দ্রুত এই পেয়ারের মূল্যকে 1.15-এর আশপাশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।