Our team has over 7,000,000 traders!
Every day we work together to improve trading. We get high results and move forward.
Recognition by millions of traders all over the world is the best appreciation of our work! You made your choice and we will do everything it takes to meet your expectations!
We are a great team together!
InstaSpot. Proud to work for you!
Actor, UFC 6 tournament champion and a true hero!
The man who made himself. The man that goes our way.
The secret behind Taktarov's success is constant movement towards the goal.
Reveal all the sides of your talent!
Discover, try, fail - but never stop!
InstaSpot. Your success story starts here!
আজ ব্রেন্ট গ্রেডের অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি $108 ছাড়িয়ে যাওয়ার পর কিছুটা কারেকশন পরিলক্ষিত হয়েছে। একইভাবে ডব্লিউটিআই-এর দাম 2.6 শতাংশ বেড়ে $102.68-এ পৌঁছেছে। এর মূল কারণ হলো সৌদি আরব 'ইস্ট-ওয়েস্ট' পাইপলাইন বন্ধ রেখেছে; সাম্প্রতিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেশটি শুক্রবার গভীর রাতে এই ঘোষণা দিয়েছিল। পাইপলাইনটি পুনরায় চালুর ব্যাপারে কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে এই স্থাপনাটির গুরুত্ব অপরিসীম; এর মূল কারণ কেবল দৈনিক প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনের সক্ষমতা নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সময় হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে যাওয়ার প্রধান পথ হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়েছিল। তখন অবরুদ্ধ প্রণালীটি এড়িয়ে সৌদি আরবের পূর্ব উপকূল থেকে জ্বালানি তেল দেশটির ভূখণ্ড হয়ে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে পাঠানো হতো। বর্তমানে সেই বিকল্প পথটিও বন্ধ রয়েছে এবং খোদ হরমুজ প্রণালীও ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
স্পার্টা কমোডিটিস জানিয়েছে যে, সবকিছুই এখন নির্ভর করছে এই অচলাবস্থা কতদিন স্থায়ী হবে তার ওপর। তাদের মতে, কার্যক্রম দ্রুত পুনরায় শুরু হলে এর প্রভাব সীমিত থাকবে, কারণ তখন ইয়ানবুতে থাকা তেলের মজুদ ব্যবহার করা সম্ভব হবে; কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী এই রুট বন্ধ থাকলে উৎপাদন কমিয়ে আনতে বাধ্য হতে পারে সংশ্লিষ্টরা। ডিবিএস ব্যাংকের বিশ্লেষক শুভ্র মনে করেন, ইয়ানবুর মজুদ দিয়ে পাঁচ থেকে সাত দিন পর্যন্ত রপ্তানি কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া সম্ভব, তবে এরপর বড় ধরনের সরবরাহ বিঘ্নতা দেখা দেবে।
আপাতত, মেরামতের বিষয়টি স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত, স্বল্পমেয়াদে তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি $120-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনার দিকেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয়টি হলো এই হামলার উৎসস্থল। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি শনিবার এ ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন যে, হামলাটি ইরান-সংলগ্ন সীমান্তবর্তী কোনো এলাকা থেকে চালানো হয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এটি চলমান সংঘাতের ভৌগোলিক প্রেক্ষাপটকে আমূল বদলে দিচ্ছে; কারণ এতদিন পর্যন্ত হামলাগুলো সমুদ্রপথ কিংবা ইয়েমেন থেকে আসছিল, কিন্তু এখন এমন একটি তৃতীয় দেশকে এই পরিস্থিতির মধ্যে জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে যারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো যুদ্ধে লিপ্ত নয়।
এরই মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা পুরোপুরি থমকে গেছে এবং ওই সামুদ্রিক প্রণালীটি সরাসরি পাইপলাইনের সাথে যুক্ত। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে সাময়িক জাহাজ চলাচলের পথ তৈরির লক্ষ্যে ইরান ও কয়েকটি উপসাগরীয় দেশের মধ্যে সোমবার যে বৈঠকটি হওয়ার কথা ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে।
পরিস্থিতিটি এমন এক দুষ্টচক্রে পরিণত হয়েছে যা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এখনও ভাঙতে পারছে না। বিকল্প পথের ওপর হামলা খোদ হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত আলোচনার ওপর আস্থার সংকট তৈরি করে; আলোচনার ব্যর্থতা অবরোধকে আরও সুদৃঢ় করেছে; আর অবরোধের ফলে বিকল্প পথগুলোর গুরুত্ব বেড়ে যায়, যা পরবর্তীতে হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।
মার্কেটের বিভিন্ন সূচক জ্বালানি তেলের প্রকৃত ঘাটতির তীব্রতা নিশ্চিত করছে। ব্রেন্ট ক্রুড গ্রেডের তেলের নিকটতম দুটি কন্ট্রাক্টের মূল্যের ব্যবধান বেড়ে ব্যারেলপ্রতি $5.57-এ দাঁড়িয়েছে (যা 'ব্যাকওয়ার্ডেশন' বা বর্তমান মূল্য বেশি হওয়ার পরিস্থিতি নির্দেশ করে); অথচ এক সপ্তাহ আগেও এই ব্যবধান ছিল $3.84। মার্কেটের এমন পরিস্থিতি—যেখানে ফিউচার কন্ট্র্যাক্টের তুলনায় প্রমট কন্ট্রাক্টের দাম বেশি থাকে—সেক্ষেত্রে তা সরাসরি তাৎক্ষণিক সরবরাহের ক্ষেত্রে ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। এর সাথে আরও যোগ করতে চাই যে, পাইপলাইনে হামলার ঘটনার আগেই গত মাসে সৌদি আরবের উৎপাদন ১৯৯০-এর দশকের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল।
যদি সপ্তাহের শেষ নাগাদ পাইপলাইনটি পুনরায় চালু না হয়, তবে আমি আশা করছি ব্রেন্ট ক্রুড গ্রেডের তেলের দর আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে $115–120-এ পৌঁছাবে; কারণ ইয়ানবুতে মজুদ থাকা পাঁচ দিনের তেল সরবরাহ একটি কঠোর সময়সীমা বা 'হার্ড ডেডলাইন' সৃষ্টি করছে। মেরামতকাজে যদি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগে, তবে তেলের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে। বুধবার অনুষ্ঠেয় ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলোর চেয়ে তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টিই অধিক গুরুত্ব পাবে; কারণ বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত তেলের মূল্য যে তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি বেড়েছে, সেটিকে কেবল সাময়িক ঘটনা হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
জ্বালানি তেলের মূল্যের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের জ্বালানি তেলের মূল্যকে নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স $104.70-এ নিয়ে যেতে হবে। এতে করে জ্বালানি তেলের মূল্যের $109.30-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জিং হবে। পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে $113.40 এরিয়া নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি তেলের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য $100-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর উল্লেখযোগ্য আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তেলের মূল্য $96.54 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখানে পরবর্তীতে $92 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনাও রয়েছে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।