Our team has over 7,000,000 traders!
Every day we work together to improve trading. We get high results and move forward.
Recognition by millions of traders all over the world is the best appreciation of our work! You made your choice and we will do everything it takes to meet your expectations!
We are a great team together!
InstaSpot. Proud to work for you!
Actor, UFC 6 tournament champion and a true hero!
The man who made himself. The man that goes our way.
The secret behind Taktarov's success is constant movement towards the goal.
Reveal all the sides of your talent!
Discover, try, fail - but never stop!
InstaSpot. Your success story starts here!
গতকাল মার্কিন ডলারের কিছুটা দরপতন ঘটেছে—এর পেছনে আংশিক কারণ হিসেবে ছিল ADP প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল, কারেন্সি মার্কেটে ব্যাংক অফ জাপানের হস্তক্ষেপ এবং নিউ ইয়র্ক ফেডের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামসের মন্তব্য; উল্লেখ্য যে, উইলিয়ামসের ওই মন্তব্য ফেডের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
উইলিয়ামস গতকাল বলেছেন, এমন প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে যে মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমে আসছে; কারণ শুল্কের প্রভাব ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে এবং জ্বালানির উচ্চমূল্যের প্রভাব অন্যান্য পরিষেবা খাতের ওপর ছড়িয়ে পড়ছে না। বুধবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "সাম্প্রতিক তথ্য-উপাত্ত বেশ আশাব্যঞ্জক।" তিনি আরও যোগ করেন, "যখন পুরোপুরিভাবে শুল্কের প্রভাবের অবসান ঘটবে, তখন মূল্যস্ফীতির হার যে ধীরে ধীরে নিম্নমুখী হবে—তা আমি স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছি।"
বর্তমান নীতিমালা সম্পর্কে উইলিয়ামসের দৃষ্টিভঙ্গি ফেডের হকিশ বা কঠোর অবস্থানধারী সদস্যদের তুলনায় লক্ষণীয়ভাবে অনেক বেশি আশাবাদী। তিনি জুলাইয়ের বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলেন এবং বর্তমান সুদের হারকে উপযুক্ত বলেই মনে করেন। তিনি বলেন, "ফেডের সর্বশেষ বৈঠকের পর সুদের হার এমন একটি অবস্থানে রয়েছে যা পূর্ণ কর্মসংস্থান ও মূল্য স্থিতিশীলতা—এই দ্বৈত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য অনুকূল।" তবে তিনি এও যোগ করেন যে, "আমরা এখন প্রচুর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি এবং ভবিষ্যতে আমাদের সেই মূল্যায়নটি পুনর্বিবেচনা করতে হবে।"
তাঁর এই অবস্থান মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যানের অবস্থানের সাথে স্পষ্টতই সাংঘর্ষিক। উল্লেখ্য, জ্যাকসন হোলে কেভিন ওয়ার্শ বলেছিলেন যে, সামগ্রিক আর্থিক নীতিমালাকে 'সংকোচনমূলক' হিসেবে অভিহিত করা তাঁর পক্ষে কঠিন; তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন যে, মূল মুদ্রাস্ফীতি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রার দিকে এগোচ্ছে কি না—সে বিষয়ে নিশ্চিত না হলে নীতিনির্ধারকদের আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এর বিপরীতে, উইলিয়ামস বর্তমান সুদের হারকে স্পষ্টভাবে 'উপযুক্ত' বলে অভিহিত করেছেন। অবশ্য তিনি এটাও স্বীকার করেছেন যে, শুল্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ফলে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিই মুদ্রাস্ফীতির প্রধান কারণ হিসেবে রয়ে গেছে এবং সেবা খাতের উচ্চ মূল্যস্ফীতিও এক্ষেত্রে কিছুটা প্রভাব ফেলছে।
ফেডারেল রিজার্ভের অভ্যন্তরীণ বিতর্কের প্রেক্ষাপটটি বোঝার ক্ষেত্রে তাঁর মূল্যায়নের সুনির্দিষ্ট দিকগুলো বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেন, "আমি আশা করি, অতীতে আমরা যেমনটা দেখেছি—উৎপাদনশীলতায় যদি তেমন কোনো দীর্ঘস্থায়ী প্রবৃদ্ধি দেখা যায়, তবে তা নিরপেক্ষ সুদের হার বাড়িয়ে দেবে। কিন্তু আমাকে বলতেই হচ্ছে যে, বর্তমানে আমরা তেমন কিছু দেখিনি।" তিনি নিরপেক্ষ সুদের হারকে মোটামুটি 1% হিসেবে অনুমান করছেন। তাঁর মতে, মূল নীতি-নির্ধারণী সুদের হার খুব সামান্যই বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, মুদ্রাস্ফীতির হার প্রায় 3.7%-এ থাকা অবস্থায় বর্তমান সুদের হারের পরিসীমা 3.50–3.75% হওয়ার অর্থ হলো—নীতিমালাটি ইতোমধ্যেই সংকোচনমূলক পর্যায়ে রয়েছে; আর এই সিদ্ধান্তটি সরাসরি ওয়ার্শের মতামতের বিপরীত।
আর্থিক নীতিমালা কতটা কঠোর হওয়া উচিত—এ বিষয়ে মতপার্থক্য জ্যাকসন হোল সিম্পোজিয়ামেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। টানা পাঁচটি বৈঠকে নীতিমালা অপরিবর্তিত রাখার পর, ফেডারেল রিজার্ভের কর্মকর্তারা ১৫-১৬ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে পুনরায় বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন; উল্লেখ্য, জুলাইয়ের বৈঠকে তিনজন ভোটিং সদস্য সুদের হার 0.25% বাড়ানোর পক্ষে ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। ওয়ার্শের বক্তব্যের পর ট্রেডাররা যখন সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির প্রায় 70% সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করছে এবং উইলিয়ামসের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তি যখন বর্তমান অবস্থান বজায় রাখার পক্ষে মত দিচ্ছেন, তখন আসন্ন বৈঠকটি গত কয়েক মাসের মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত হয়ে ওঠার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
EUR/USD-এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1608-এর দিকে নিয়ে যেতে হবে, যা 1.1623-এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত করবে। এরপর এই পেয়ারের মূল্যের 1.1641-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে, যদিও বড় বিনিয়োগকারীদের সহায়তা ছাড়া তা করা কঠিন হবে। অন্যদিকে, নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.1584 লেভেলের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার আশা করা হচ্ছে; যদি সেখানে ক্রেতারা সক্রিয় না হয়, তবে এই পেয়ারের মূল্য 1.1568 লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা অথবা 1.1550 লেভেল থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
GBP/USD-এর ক্ষেত্রে, পাউন্ডের ক্রেতাদের মূল্যকে 1.3494-এর নিকটবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল অতিক্রম করাতে হবে, যার ফলে 1.3515-এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে, যা অতিক্রম করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ কঠিন হবে। পরবর্তীতে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3531-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই কারেন্সি পেয়ারের দরপতন ঘটে, তাহলে মূল্য 1.3475-এ থাকা অবস্থায় বিয়ার্স বা বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে; এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে তা বুলিশ পজিশনের উপর মারাত্মক আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3457-এর দিকে নেমে যেতে পারে, এমনকি 1.3435 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।