Our team has over 7,000,000 traders!
Every day we work together to improve trading. We get high results and move forward.
Recognition by millions of traders all over the world is the best appreciation of our work! You made your choice and we will do everything it takes to meet your expectations!
We are a great team together!
InstaSpot. Proud to work for you!
Actor, UFC 6 tournament champion and a true hero!
The man who made himself. The man that goes our way.
The secret behind Taktarov's success is constant movement towards the goal.
Reveal all the sides of your talent!
Discover, try, fail - but never stop!
InstaSpot. Your success story starts here!
আজ জ্বালানি তেলের 6%-এরও বেশি দরপতন ঘটেছে—যা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দৈনিক দরপতন। ব্রেন্ট ক্রুডের দর প্রতি ব্যারেল $97.10-এ নেমে এসেছে, আর ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দর প্রায় $91-এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।
এই পরিস্থিতি নির্দেশ করে যে, ট্রেডাররা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনের প্রত্যাশার উপর ভিত্তি করে ট্রেডিং করছে—যা এখন আর কয়েক সপ্তাহের বিষয় নয়, বরং মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা।
প্রাপ্ত সংকেতগুলো সত্যিই বেশ আশাব্যঞ্জক। সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নয়াদিল্লিতে বক্তব্য রাখার সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও জানিয়েছেন যে, আজই এ সংক্রান্ত যেকোনো খবর আসতে যেতে পারে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এমন একটি সমঝোতা স্মারক প্রস্তুত করেছে, যার আওতায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৬০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো হবে এবং একই সাথে হরমুজ প্রণালী থেকে মাইন অপসারণ করে তা পুনরায় চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সাম্প্রতিক তথ্যে দেখা গেছে যে, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও কন্টেইনার জাহাজসহ মোট ৩৩টি নৌযান আইআরজিসির নৌবাহিনীর অনুমতি নিয়ে এই প্রণালী অতিক্রম করেছে; যা হরমুজ প্রণালীর বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনের পথে প্রথম দৃশ্যমান ও বাস্তবসম্মত অগ্রগতির ইঙ্গিত বহন করছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার মতো 'সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির' আশঙ্কায় জ্বালানি তেলের ট্রেডিং করা হচ্ছিল—তবে কেবল তখনই জ্বালানি তেলের দর ব্যারেল প্রতি ৯০ ডলারের নিচে নামবে, যখন আলোচনার ক্ষেত্রে কোনো সুস্পষ্ট ও বড় ধরনের অগ্রগতি সাধিত হবে। যেহেতু নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রাক্কালে ট্রাম্প প্রশাসনকে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপের মুখোমুখি হতে হচ্ছে এবং দেশটিতে জ্বালানি তেলের দাম ২০২২ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে—আর এসব বিষয় সরাসরি তাদের জনপ্রিয়তার সূচক বা 'রেটিং'-এর ওপর প্রভাব ফেলে—তাই দীর্ঘস্থায়ী কোনো সংঘাত এড়িয়ে চলাই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের জন্য অনুকূল। হোয়াইট হাউসের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কেভিন হ্যাসেট ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন যে, চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি জ্বালানি মূল্যের বড় ধরনের পতনের প্রত্যাশা করছেন; যা ফেডারেল রিজার্ভকে সুদের হার কমানোর সুযোগ করে দেবে।
তবে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার মূল মতপার্থক্যগুলো এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি। ইরানের সংবাদ সংস্থা 'তাসনিম' সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছে যে, শেষ পর্যন্ত এই চুক্তিটি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা এখনও বজায় রয়েছে। প্রাপ্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের জব্দকৃত সম্পদ অবমুক্ত করার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করছে এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত বিষয়টিও এখনো অমীমাংসিতই রয়ে গেছে। এসব বিষয় সামগ্রিকভাবে এটাই নির্দেশ করে যে, ট্রেডাররা হয়তো বর্তমান পরিস্থিতির সাময়িক স্বস্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ফেলেছে—কিন্তু কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের বিষয়টি এখনো ট্রেডারদের বিবেচনায় আসেনি।
হরমুজ প্রণালী যদি পুরোপুরিভাবে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়—যে প্রণালী দিয়ে শান্তিপূর্ণ সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো—তবে তা এশিয়ার প্রধান আমদানিকারক দেশগুলো, যেমন—চীন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য এক বিশাল স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই এটা স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, চলমান কূটনৈতিক অগ্রগতি শেষ পর্যন্ত কোনো স্বাক্ষরিত চুক্তিতে রূপ নেয় কি না।
সাম্প্রতিক টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের তেলের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স $92.50 অতিক্রম করাতে হবে। তা পারলেই $100.40 পর্যন্ত যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থাপন সম্ভব হবে, এবং এই লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া যথেষ্ট কঠিন হবে। পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে $106.80 লেভেল নির্ধারণ করা যায়। তেলের দরপতন হতে থাকলে মূল্য $86.50-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে; তারা সফল হলে তেলের মূল্য এই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর উপর গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তেলের মূল্য $81.40 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে $74.85 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।