The legend in the InstaSpot team!
Legend! You think that's bombastic rhetoric? But how should we call a man, who became the first Asian to win the junior world chess championship at 18 and who became the first Indian Grandmaster at 19? That was the start of a hard path to the World Champion title for Viswanathan Anand, the man who became a part of history of chess forever. Now one more legend in the InstaSpot team!
Borussia is one of the most titled football clubs in Germany, which has repeatedly proved to fans: the spirit of competition and leadership will certainly lead to success. Trade in the same way that sports professionals play the game: confidently and actively. Keep a "pass" from Borussia FC and be in the lead with InstaSpot!
মার্কিন ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স জানিয়েছে যে জানুয়ারি মাসের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রকাশনা ১১ ফেব্রুয়ারিতে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।
উক্ত প্রতিবেদনগুলো মূলত ৬ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ আগামীকাল প্রকাশের কথা ছিল, কিন্তু আংশিক সরকারি শাটডাউনের কারণে এগুলোর প্রকাশনায় বিলম্ব হতে যাচ্ছে। ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স বুধবার এই পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়, ঠিক সেই সময়ের পরে যখন শ্রম বিভাগসহ বেশ কয়েকটি এজেন্সির তহবিল পুনবরাদ্ধ করা হয়।
এই প্রতিবেদনগুলোর প্রকাশনা পিছিয়ে দেয়ার ফলে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে কী প্রভাব পড়বে তা স্পষ্ট নয়, কারণ বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকরা মার্কিন অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রবণতা নির্ধারণে সহায়তা করে। এই প্রতিবেদনগুলো বিলম্বে প্রকাশ করা হলে তা মার্কেটে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে, কারণ বিনিয়োগকারীরা শ্রমবাজার পরিস্থিতি সম্পর্কিত নতুন তথ্য থেকে বঞ্চিত হয়। কিছু বিশ্লেষক ধারণা করছেন যে এই প্রতিবেদনগুলো বিলম্বে প্রকাশিত হলে ইকুইটি ও বন্ড মার্কেটে অস্থিরতা বাড়তে পারে; অন্যান্যরা বলছেন এর প্রভাব সীমিত থাকবে, কারণ মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য বিনিয়োগকারীদের কাছে বিকল্প প্রতিবেদন রয়েছে।
মার্কিন লেবার ব্যুরো জানিয়েছে যে জানুয়ারির ভোক্তা মূল্যে সূচক (CPI) প্রতিবেদন ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে, যা মূলত ১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশের কথা ছিল। এই সপ্তাহে মার্কিন ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স কর্তৃক প্রকাশিতব্য অন্যান্য প্রতিবেদনগুলোর প্রকাশনার সময় পুননির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ডিসেম্বরের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও লেবার টার্নওভার এবং কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন রয়েছে।
এর কারণ হিসেবে আংশিক শাটডাউনই বিবেচিত হচ্ছে। যদিও শাটডাউন মঙ্গলবার রাতেই শেষ হয়ে যায় যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি ফান্ডিং বিলে স্বাক্ষর করেন, তবুও এর ফলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময়সূচী প্রভাবিত হয়েছে।
নিয়মিত মাসিক কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের পাশাপাশি জানুয়ারির প্রতিবেদনে বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক সংশোধনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ঐ সংশোধনগুলোর মাধ্যমে বার্ষিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার প্রাথমিক প্রতিবেদনের তুলনায় কেমন সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে—এটি ডলারের ওপর ব্যাপভাবে প্রভাব ফেলতে পারে।
একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের প্রকাশনা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
EUR/USD‑এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস অনুযায়ী, ক্রেতাদের পুনরায় এই পেয়ারের মূল্যকে 1.183 লেভেলে নিয়ে আসার কথা ভাবা উচিত। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1870 লেভেল টেস্ট করার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1910‑এ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ব্যতীত এই পেয়ারের মূল্যের এই লেভেলের ওপরে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1950 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। দরপতনের ক্ষেত্রে, সম্ভবত মূল্য 1.1780‑এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে দেখা যাবে। সেখানে ক্রেতারা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1730‑এ নতুন নিম্ন লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1700 থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
GBP/USD‑এর ক্ষেত্রে, পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3625 লেভেলে নিয়ে যাওয়া উচিত। কেবলমাত্র তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3655-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে যেতে পারবে; এই লেভেলে ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3690 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3595‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হানবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3565 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখান থেকে পরবর্তীতে প্রায় 1.3540‑এর লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।