empty
 
 
bd
Support
Instant account opening
Trading Platform
Deposit/Withdraw

21.01.202612:06 ফরেক্স বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনা: মার্কিন বন্ড বিক্রির হুমকির পরে সত্যিই সেই পদক্ষেপ নেয়া হল

মার্কিন বন্ড বিক্রির হুমকি প্রদানের পর বাস্তবেই সেই কার্যক্রম শুরুর ফলে গতকাল ইউরোর দর মার্কিন ডলারের তুলনায় তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইইউ দেশগুলো সম্ভবত মার্কিন সরকারি ট্রেজারি বন্ড বিক্রি শুরু করবে—মার্কেটে আগে থেকেই এই ধরনের গুঞ্জর শুরু হয়েছিল।

Exchange Rates 21.01.2026 analysis

গতকাল জানা যায় যে ডেনমার্ক সক্রিয়ভাবে মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করা শুরু করেছে। আকাডেমিকারপেনশন মার্কিন সরকারি বন্ড বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছে। পেনশন ফান্ডটি প্রায় $100,000,000 মূল্যের সিকিউরিটিজ বিক্রি করার এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত এই পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করছে।

পেনশন ফান্ডটি সিদ্ধান্তটিকে পুরোপুরি আর্থিক পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে—বাড়তি ঘাটতি এবং মার্কিন সরকারি ঋণ বিষয়ক পরিস্থিতি ট্রেজারি বন্ডের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কঠিন করে তুলছে ও লিকুইডিটি টুল হিসেবে এটির সুবিধা হ্রাস পেয়েছে। আরেকটি অনানুষ্ঠানিক অনুপ্রেরণা হলো মি. ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকি ও গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবিসহ তীব্র মার্কিন-ইউরোপ দ্বন্দ্, উল্লেখ্য যে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের সার্বভৌম ভূখণ্ড।

ডেনমার্কের এই পদক্ষেপ বেশ গুরুত্বপূর্ণ, যদিও তুলনামূলকভাবে ছোট একটি পেনশন ফান্ড এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তবে তা মার্কিন অর্থনীতির জন্য একটি সতর্ক সংকেত। বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা বড় বিনিয়োগকারীদের পদক্ষেপ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে, এবং এমন পদক্ষেপ চেইন-রিয়েকশনের কারণ হতে পারে। যদি অন্যান্য দেশ ও ফান্ডগুলো ডেনমার্কের পথ অনুসরণ করে, তাহলে মার্কিন সরকারি বন্ডের চাহিদা হঠাৎ করে কমে যেতে পারে, যার ফলে বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ বাড়বে এবং মার্কিন সরকারি ঋণের ব্যয় বেড়ে যাবে।

ডেনিশ ফান্ডের সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক যুক্তি বেশ স্পষ্ট। মার্কিন অর্থনীতি নিয়ে সৃষ্টি অনিশ্চয়তা, ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণের বোঝা এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা—এসব বিষয় স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার খুঁজতে থাকা বিনিয়োগকারীদের জন্য মার্কিন ট্রেজারি বন্ডকে কম আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তুলনামূলকভাবে, ইউরো বিশেষত ইইউ-এর অভ্যন্তরে গভীর অর্থনৈতিক একত্রীকরণ সম্ভাবনার পটভূমিতে ক্রমশ আত্মবিশ্বাসী হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।

ডেনমার্কের এই পদক্ষেপের ফলে ইউরো ও ডলারের ওপর এর প্রভাব ইতোমধ্যেই লক্ষণীয়। মার্কিন অ্যাসেট থেকে বিনিয়োগ সরে যাচ্ছে এবং ইউরোপীয় অর্থনীতির সম্পর্কে সামগ্রিক ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন ডলার দুর্বল হলে বৈশ্বিক পর্যায়ে মার্কিন পণ্যসমূহের আকর্ষণীয়তা আরও বাড়বে, তবে এতে অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়বে।

গুরুত্বের দিক হল এটি ইতোমধ্যে তৃতীয় ডেনিশ ফান্ড যা মার্কিন ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ হ্রাস করেছে। ইতিপূর্বে লারেরনেস পেনশন এবং PFA-ও এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।

স্পষ্টতই, পরিমাপের চেয়ে ঐতিহ্যের প্রভাব বড়: $100,000,000-এর বন্ড মার্কেটে তুচ্ছ, কিন্তু ওই ঐতিহ্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ প্রতিবেদনগুলোতে এখন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে আরেকটি বড় ফান্ড প্রকাশ্যে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডকে ঝুঁকি-মুক্ত অ্যাসেট হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। উপরে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, যদি অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও একই পথ অনুসরণ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে ঋণের ওপর আরও বেশি সুদ দিতে হবে।

EUR/USD-এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1745 লেভেলে পুনরুদ্ধার করার কথা বিবেচনা করা উচিত। কেবল তাহলেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1765 লেভেলে পৌঁছাতে পারে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1785 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এই লেভেলের উপরে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1810-এর লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করা যায়। এই পেয়ারের দরপতনের ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র মূল্য 1.1714-এর কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। সেখানে কোনো ক্রেতা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1690 লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বা 1.1660 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে।

GBP/USD-এর ক্ষেত্রে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রেতাদের পাউন্ডের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3460 লেভেলে নিয়ে যেতে হবে। কেবল এটি করা গেলে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3490-এর লক্ষ্যমাত্রায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3520-এর লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করা যায়। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, মূল্য 1.3425-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ঐ রেঞ্জ ব্রেক করলে বুলিশ পজিশনগুলোকে মারাত্মকভাবে লিকুইডেট হয়ে যেতে পারে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3400 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, এবং পরবর্তীতে 1.3380 পর্যন্ত দরপতন প্রসারিত হতে পারে।

*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।

বিশ্লেষকদের পরামর্শসমূহের উপকারিতা এখনি গ্রহণ করুন
ট্রেডিং অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা করুন
ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খুলুন

ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।

এখন কথা বলতে পারবেন না?
আপনার প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন চ্যাট.