Our team has over 7,000,000 traders!
Every day we work together to improve trading. We get high results and move forward.
Recognition by millions of traders all over the world is the best appreciation of our work! You made your choice and we will do everything it takes to meet your expectations!
We are a great team together!
InstaSpot. Proud to work for you!
Actor, UFC 6 tournament champion and a true hero!
The man who made himself. The man that goes our way.
The secret behind Taktarov's success is constant movement towards the goal.
Reveal all the sides of your talent!
Discover, try, fail - but never stop!
InstaSpot. Your success story starts here!
সাম্প্রতিক সময়ে ঋণ সংক্রান্ত আলোচনা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। কোনো না কোনোভাবে প্রায় প্রত্যেকেই ঋণের প্রভাবের মধ্যে রয়েছে। বিশ্বের সব জায়গাতেই পরিবারগুলো ঋণ করে থাকে: আমেরিকানরা ঋণের ওপর নির্ভর করে জীবনযাপন করে, অনেক ইউরোপীয় আজীবন ভাড়া বাড়িতে থাকেন কারণ সম্পত্তি কেনার সামর্থ্য তাদের নেই, এবং সোভিয়েত-পরবর্তী সময়ে জন্ম নেয়া দেশগুলোতে মানুষ দশকের পর দশক ধরে গৃহঋণ বা মর্টগেজ পরিশোধ করে চলেছে। তবে কেবল ব্যক্তি বা কোম্পানিই যে ঋণ নেয় বিষয়টি তেমন নয়; বিশ্বের প্রায় সব দেশই ঋণ নেয়—এবং সেই সমস্যাটি আরও বেশি গুরুতর।
'ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স' (IIF) এই সপ্তাহে জানিয়েছে যে, ২০২৬ সালে মোট বৈশ্বিক ঋণের পরিমাণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সত্যি বলতে কি, এ বিষয়ে নতুন করে খুব বেশি কিছু বলার নেই। এই সংখ্যাটি ভীতিকর এবং অশুভ সংকেত বহন করে। এমনকি অর্থনীতিতে কোনো ডিগ্রি না থাকা ব্যক্তিও বোঝেন যে, আজ হোক বা কাল, এর শেষ পরিণতি হবে ব্যাপক অর্থনৈতিক ধস। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, অতীতে বহুবার এমন ধস নেমেছে।
IIF উল্লেখ করেছে যে, সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির কারণেই ঋণের পরিমাণ বাড়ছে। সহজ কথায়: অনেক দেশই তাদের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে ব্যয় করছে। আর আমরা এখানে কোনো প্রান্তিক অর্থনীতির কথা বলছি না, বরং বিশ্ব অর্থনীতির শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর কথা বলছি। সেই নেতৃত্বের ব্যয় নির্বাহ করা হচ্ছে ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে। কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, বরং জাপান, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য অনেক উন্নত দেশেও সরকারি বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশের হার বাড়ছে। কয়েক দশক ধরে বিনিয়োগকারীরা ক্রমাগত সরকারি ব্যয় ও ঋণ বৃদ্ধির বিষয়টিকে উপেক্ষা করে এসেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিদ্যমান বিশাল ঋণের বোঝা একটি প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসছে: এর শেষ পরিণতি কী হবে? সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ ও সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ আমাদের এমন পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে যা একসময় কেবল সিনেমার পর্দাতেই কল্পনা করা হতো। ক্রমবর্ধমান রাষ্ট্রীয় ঋণ ও সরকারি ব্যয় ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বিশ্ব অর্থনীতি যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে।
এখন ক্রমবর্ধমান ঋণ মোকাবিলার উপায় কী? হয় ঋণ মেটাতে নতুন করে অর্থ ছাপানো, নয়তো কম ঋণ নেওয়া, অথবা কোনো পদক্ষেপই না নেওয়া। মনে হচ্ছে বিশ্বনেতারা তৃতীয় পথটিই বেছে নিয়েছেন। ক্রমাগত অর্থ ছাপানোর ফলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেবে। আর মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি কঠোর করা হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির আশা ত্যাগ করতে হবে। তাহলে বিশাল পরিমাণ রাষ্ট্রীয় ঋণ জমিয়ে লাভ কী, যদি কোনো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা উন্নয়নই না ঘটে? দ্বিতীয় বিকল্পটি—অর্থাৎ কম ঋণ নেওয়া—অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় লিপ্ত অধিকাংশ দেশের কাছেই আকর্ষণীয় নয়। প্রতিটি দেশই জানে যে, প্রতিযোগীদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ার অর্থ হলো তাদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং এমনকি ভূখণ্ডগত অবস্থানের জন্যও ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনা। আপনি যত দুর্বল হবেন, ততই অরক্ষিত হয়ে পড়বেন।
সুতরাং, শেষ পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ না নেওয়াই একমাত্র বিকল্প হিসেবে অবশিষ্ট থাকে। কেউই হারতে চায় না, তাই বিশ্বের সব দেশের সরকারগুলো বারুদের স্তূপের ওপর বসে বিস্ফোরণের অপেক্ষায় বসে আছে। বিস্ফোরণ ঘটবেই—এতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রশ্ন শুধু একটাই—কখন?
EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, তবে আমরা এখনও এই দরপতনকে নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরুর আগে একটি সাময়িক কারেকশন হিসেবেই দেখছি। মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে; তবে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং পরবর্তীতে ফেডারেল রিজার্ভের হকিশ বা কঠোর অবস্থান মার্কিন ডলারকে শক্তিশালী সহায়তা প্রদান করেছে। যখন এই পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজের নিচে অবস্থান করবে, তখন শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1292 এবং 1.1230-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর এই পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজের উপরে অবস্থান করলে 1.1475 এবং 1.1536-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ লং পজিশন ওপেন করা যুক্তিযুক্ত হবে।
অযৌক্তিক মনে হলেও GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা মার্কিন অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে চলেছে, তাই আমরা দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির কারণে ২০২৬ সালটি এখন পর্যন্ত মার্কিন ডলারের জন্য ইতিবাচক ছিল; সার্বিক পরিস্থিতি অনুযায়ী মূলধন নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে প্রবাহিত হয়েছে এবং ফেডারেল রিজার্ভকে পুনরায় মুদ্রানীতি কঠোর করতে শুরু করেছে। তবে, সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে চার বছরব্যাপী বিদ্যমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে 1.3150 থেকে 1.3780-এর মধ্যে একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জ বজায় রয়েছে, যা মধ্যমেয়াদে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করছে। যখন এই পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজের উপরে অবস্থান করবে, তখন 1.3367 এবং 1.3428-এর টার্গেট সেট করে লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজের নিচে থাকে, তবে 1.3160 এবং 1.3123-এর টার্গেট সেট করে সেল ট্রেড ওপেন করা যেতে পারে।
রিগ্রেশন চ্যানেল বর্তমান প্রবণতা নির্ধারণে সহায়তা করে। যদি উভয় চ্যানেলই একই দিক নির্দেশ করে, তবে বুঝতে হবে যে বর্তমান প্রবণতাটি শক্তিশালী;
মুভিং এভারেজ লাইন (সেটিং: 20,0, স্মুথড) স্বল্পমেয়াদী প্রবণতা এবং বর্তমানে কোন দিকে ট্রেড করা উচিত তা নির্দেশ করে;
মারে লেভেল হলো প্রাইস মুভমেন্ট এবং কারেকশনের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা;
ভোলাটিলিটি লেভেল (লাল লাইন) হলো সম্ভাব্য প্রাইস চ্যানেল, যার মধ্যে বর্তমান ভোলাটিলিটি সূচক অনুযায়ী পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সংশ্লিষ্ট কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের অবস্থান করার সম্ভাবনা রয়েছে;
CCI সূচক ওভারসোল্ড (-250-এর নিচে) অথবা ওভারবট (+250-এর উপরে) জোনে প্রবেশ করলে, খুব শীঘ্রই ট্রেন্ড রিভার্সাল দেখা যেতে পারে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।