Our team has over 7,000,000 traders!
Every day we work together to improve trading. We get high results and move forward.
Recognition by millions of traders all over the world is the best appreciation of our work! You made your choice and we will do everything it takes to meet your expectations!
We are a great team together!
InstaSpot. Proud to work for you!
Actor, UFC 6 tournament champion and a true hero!
The man who made himself. The man that goes our way.
The secret behind Taktarov's success is constant movement towards the goal.
Reveal all the sides of your talent!
Discover, try, fail - but never stop!
InstaSpot. Your success story starts here!
চলতি সপ্তাহে EUR/USD-এর মূল্যের বেশ সক্রিয় মুভমেন্ট এবং অস্থিরতা দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রেডারদের তিনটি মৌলিক বিষয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে: ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাবলী, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন। এই মূল বিষয়গুলোই EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিংয়ের পরিস্থিতি নির্ধারণ করবে।
ক্রমবর্ধমানভাবে ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতার মধ্যে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের অনুকূলে কাজ করে চলেছে। মনে হচ্ছে, আগামী দিনগুলোতে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডারদের জন্য এই মৌলিক কারণটিই প্রধান অনুঘটক হয়ে উঠবে।
গত দুই দিনে, মার্কিন-ইরান সংঘাতকে ঘিরে পরিস্থিতি তীব্রভাবে উত্তপ্ত হয়েছে, যা কার্যত একটি পূর্ণাঙ্গ (স্থানীয় নয়) সংঘর্ষের পর্যায়ে ফিরে এসেছে। নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির মূল অনুঘটক হিসেবে জর্ডানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুজন মার্কিন সেনার মৃত্যুর বিষয়টি কাজ করেছে। এর জবাবে, যুক্তরাষ্ট্র টানা অষ্টম রাত ধরে ইরানের সামরিক অবকাঠামো, সেতু, সুড়ঙ্গ এবং অন্যান্য স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে।
এর জবাবে, তেহরান শান্তিপূর্ণ সমঝোতা স্মারকের অধীনে থাকা তাদের দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে, যার পরপরই ইরানি বাহিনী এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। বাহরাইনেও বিমান হামলার সাইরেন শোনা গেছে, অন্যদিকে কুয়েতের লবণাক্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্র ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের শিকার হয়েছে।
একই সময়ে, উভয় পক্ষই কঠোর বিবৃতি বিনিময় অব্যাহত রেখেছে, যা কার্যত দ্রুতই কূটনৈতিক সমাধানে ফিরে আসার সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিচ্ছে।
তবে, ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে EUR/USD পেয়ারের টেকসই (এটিই মূল শব্দ) দরপতন ঘটার সম্ভাবনা কম। মার্কেটে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে, ট্রেডাররা এখনও বর্তমান উত্তেজনা বৃদ্ধিকে একটি "শক্তিশালী দর কষাকষি" কৌশলের অংশ হিসেবেই দেখছেন: উভয় পক্ষই সীমিত শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের দর কষাকষির অবস্থানকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে এবং একই সাথে পরোক্ষ আলোচনায় ফিরে আসার সুযোগও খোলা রাখছে। নিঃসন্দেহে, সংঘাতের চলমান বিস্তারের মধ্যে এই ধরনের পরিস্থিতি বেশ ঝুঁকিপূর্ণই থেকে যায়। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত মার্কেটে এই অনিয়ন্ত্রিত উত্তেজনা বৃদ্ধির কোনো লক্ষণ দেখা না যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত EUR/USD-এর মূল্যের 1.14 লেভেলের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা বজায় থাকবে।
তাছাড়া, আগামী সপ্তাহে যদি পুনরায় মধ্যস্থতাকারীদের সহযোগিতায় যোগাযোগ শুরু হওয়ার কোনো সংকেত পাওয়া যায়, ঝুঁকি গ্রহণ না করার উল্লেখযোগ্যভাবে (এবং বেশ তীব্রভাবে) দুর্বল হয়ে পড়বে, যা এই পেয়ারের ক্রেতাদেরকে আবারও 1.1470-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেলটি (বলিঙ্গার ব্যান্ডের আপার লাইন, যা D1-এর কিজুন-সেন লাইনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ) টেস্ট করার সুযোগ দেবে। একই ধরনের পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আকস্মিক অবস্থান পরিবর্তনের ইতিহাস বিবেচনা করলে, এই ধরনের ফলাফলের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ইসিবির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যা EUR/USD পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা বাড়াতে পারে। এটা নিশ্চিতভাবে ধরে নেওয়া যায় যে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তিন ধরনের সুদের হারই অপরিবর্তিত রাখবে, যা হবে সবচেয়ে সাধারণ এবং প্রত্যাশিত পরিস্থিতি। তাই, ট্রেডাররা মূলত বৈঠকের সাথে দেওয়া বিবৃতির বক্তব্য এবং ক্রিস্টিন লাগার্ডের মন্তব্যের উপর নজর রাখবে।
একদিকে, বেশ কয়েকটি কারণে সুদের হার একই স্তরে বজায় রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরোজোনে মুদ্রাস্ফীতি ধীরে ধীরে কমছে, মূল মূল্যস্ফীতির চাপ তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এখনও বেশ দুর্বল বলে মনে হচ্ছে। এছাড়াও, ইসিবি সাধারণত জ্বালানি তেলের স্বল্পমেয়াদী মূল্যবৃদ্ধিতে (যেমনটি আমরা বর্তমানে দেখছি) প্রতিক্রিয়া দেখায় না, বরং তথাকথিত গৌণ মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করে থাকে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী পরিস্থিতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে জটিল করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের নতুন করে তীব্রতা বৃদ্ধির ফলে তেলের মূল্যের তীব্র বৃদ্ধি ঘটেছে, যা ইউরোজোনে মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত হওয়ার ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অতএব, সম্ভাবনা রয়েছে যে ইসিবি বাড়তি অনিশ্চয়তার বিষয়টি স্বীকার করবে এবং উল্লেখ করবে যে, অদূর ভবিষ্যতে মুদ্রাস্ফীতির প্রত্যাশা ও মজুরির হারের উপর জ্বালানি সংকটের প্রভাব তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।
এই সবকিছু থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, জুলাই মাসের বৈঠকের জন্য সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতি হলো 'হকিশ বা কঠোর অবস্থানের সাথে সুদের হার বৃদ্ধিতে বিরতি'। অন্য কথায়, ইসিবি সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে, কিন্তু লাগার্দ সম্ভবত তুলনামূলকভাবে হকিশ বা কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবেন এবং আর্থিক নীতিমালা কঠোরকরণের সম্ভাব্য সমাপ্তি সম্পর্কে ট্রেডারদের কোনো সংকেত দেবেন না। এই প্রেক্ষাপটে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অবশ্যই বলবেন যে পরবর্তী সিদ্ধান্তগুলো সম্পূর্ণরূপে আগত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিকাশের উপর নির্ভর করবে।
অন্য কথায়, জুলাই মাসের ইসিবির বৈঠকের ফলাফল ইউরোকে সহায়তা কোরতে পারে; তবে, মার্কেটে নিরাপদ বিনিয়োগস্থল হিসেবে মার্কিন ডলারের চাহিদা অব্যাহত থাকলে ইউরোর দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা সীমিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, EUR/USD-এর ক্রেতাদের পক্ষে পূর্বে উল্লিখিত 1.1470-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেলটি অতিক্রম করানো সম্ভব হবে না।
আগামী সপ্তাহের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে, EUR/USD-এর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে পিএমআই সূচক (২৪ জুলাই) এবং ZEW প্রতিবেদন (২১ জুলাই), যা ইউরোজোনের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের মনোভাব মূল্যায়নের সুযোগ করে দেবে।
ZEW অর্থনৈতিক প্রত্যাশা সূচক জুনে অপ্রত্যাশিতভাবে ১০.৫ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে (তীব্র পতনের পর যা -১০.৫ পয়েন্টে নেমে গিয়েছিল), যা এই বছরের ফেব্রুয়ারির পর প্রথমবারের মতো ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। এই ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে, আর্থিক প্রণোদনা এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা হ্রাসের প্রত্যাশার মধ্যে বিনিয়োগকারীরা জার্মানির অর্থনীতির একটি ক্রমান্বয়িক পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনাকে বিবেচনায় আনতে শুরু করেছেন। তবে, জুলাই মাসের প্রতিবেদনটি আরও প্রতিকূল বাহ্যিক পরিবেশে প্রকাশিত হবে। একদিকে, জার্মানিতে সরকারি বিনিয়োগ কর্মসূচির সূচনা এই প্রত্যাশাগুলোকে সমর্থন করতে পারে। অন্যদিকে, দুর্বল উৎপাদন গতিশীলতা, উচ্চ জ্বালানি ব্যয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার ফলে এগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
তথাপি, বেশিরভাগ বিশ্লেষক মনে করেন যে জুলাই মাসে বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখবেন: জার্মানিতে ব্যবসায়িক মনোভাব সূচক আবারও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে—এবার তা ১৮ পয়েন্টে পৌঁছাবে।
পিএমআই-এর ক্ষেত্রে, প্রধানত জার্মানি এবং ইউরোজোনের সূচকগুলোর ওপরই মনোযোগ থাকবে। জার্মানিতে উৎপাদন কার্যক্রম সূচক সম্প্রসারণশীল অঞ্চলে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা বেড়ে ৫০.৩ থেকে ৫০.৬-এ পৌঁছাবে। জার্মানির পরিষেবাভিত্তিক পিএমআই-ও বেড়ে ৪৯.০ হবে বলে আশা করা হচ্ছে (জুনে যা বেড়ে ৪৮.৬ হয়েছিল)। যদি পূর্বাভাসের বিপরীতে এই সূচকটি সম্প্রসারণশীল অঞ্চলে প্রবেশ করে, তবে তা ইউরোকে উল্লেখযোগ্যভাবে সহায়তা করবে। ইউরোজোনের পিএমআই সূচকগুলোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের গতিশীলতার প্রত্যাশা করা হচ্ছে: উৎপাদন খাতে সূচকটি বেড়ে ৫১.৬ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে পরিষেবা খাতে তা ৪৯.৮-এ পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে।
টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী, চার-ঘণ্টার চার্টে EUR/USD পেয়ারের মূল্য বলিঙ্গার ব্যান্ডের মিডল ও লোয়ার লাইনের মধ্যে, কুমো ক্লাউডের উপরে এবং টেনকান-সেন ও কিজুন-সেন রেখার মধ্যে অবস্থান করছে। দৈনিক চার্টে, এই পেয়ারের মূল্য বলিঙ্গার ব্যান্ডের মিডল ও হায়ার লাইনের মধ্যে, কুমো ক্লাউডের নিচে এবং টেনকান-সেন ও কিজুন-সেন লাইনের মধ্যে অবস্থান করছে। এই সবকিছু চলমান অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দেয়: স্বল্প-মেয়াদী সূচকগুলো স্পষ্ট সংকেত তৈরি করছে না, এবং হায়ার টাইমফ্রেমগুলোতে কোনো পক্ষের জন্যই সুবিধাজনক অবস্থান নির্দেশিত হচ্ছেছে না। এই পরিস্থিতিতে, নতুন মৌলিক অনুঘটকের প্রত্যাশায় 1.1380 – 1.1470 রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের কনসলিডেশন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।