empty
 
 
bd
Support
Instant account opening
Trading Platform
Deposit/Withdraw

10.06.202610:07 ফরেক্স বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনা: মধ্যপ্রাচ্য আবারও পূর্ণমাত্রার সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে

Relevance up to 01:00 2026-06-11 UTC--4

মধ্যপ্রাচ্য আবারও পূর্ণমাত্রার সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে, এই খবরের প্রভাবে কারেন্সি মার্কেটে খুব দ্রুত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাম্প তেহরানের বিরুদ্ধে একটি আমেরিকান অ্যাপাচি সামরিক হেলিকপ্টার ধ্বংস করার জন্য অভিযোগ আনার পর, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি অবস্থিত ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ভূমি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং রাডারে হামলা চালিয়েছে—এই খবরের প্রভাবে মার্কিন ডলারের দর বেড়েছে এবং অন্যান্য কারেন্সির দরপতন হয়েছে।

Exchange Rates 10.06.2026 analysis

ইরান তাৎক্ষণিকভাবে এর জবাব দিয়েছে: আইআরজিসি বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত আমেরিকান সামরিক স্থাপনাগুলোতে ড্রোন হামলার ঘোষণা দিয়েছে। কেশম দ্বীপ এবং ইরানের দক্ষিণ উপকূল বরাবরও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

এতকিছু ঘটা সত্ত্বেও, ট্রাম্প এই প্রতিশোধমূলক হামলাকে "খুবই শক্তিশালী এবং প্রচণ্ড জোরালো" বলে আখ্যা দিয়েছেন; তবে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সতর্কতার সাথে মন্তব্য করেছে—এই অভিযানকে একটি "আনুপাতিক প্রতিক্রিয়া" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা পুনরায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু না করে সংঘাতকে সীমিত রাখার ব্যাপারে ওয়াশিংটনের ইচ্ছার ইঙ্গিত দেয়।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেছেন যে, দেশটি কোনো হামলার জবাব না দিয়ে ছাড়বে না। তবে, সন্ধ্যার মধ্যে ইরান ও ইসরায়েল উভয়ই পারস্পরিক হামলা বন্ধের ঘোষণা দেয়। তবে তারা এও জানায় যে, এর ফলে মার্কেটের চাপ কমেছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর সামান্য পুনরুদ্ধার ঘটেছে। নেতানিয়াহু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, ইরান পুনরায় হামলা না চালালে তিনি দেশটির ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবেন, যদিও তিনি লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথা নিশ্চিত করেছেন। ইরানের সামরিক কমান্ড সতর্ক করে দিয়েছে যে, লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকলে এর জবাব "অনেক বেশি কঠোর ও বিধ্বংসী" হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলীর পাশাপাশি, আজকের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো মার্কিন শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর মে মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) সংক্রান্ত প্রতিবেদন। সর্বসম্মত পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে দেশটির ভোক্তা মূল্য সূচক বার্ষিক ভিত্তিতে ৩.৮% থেকে ৪.২%-এ বৃদ্ধি পাবে—যা হবে ২০২৩ সালের এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ এবং গত ১২ মাসের গড় ২.৮%-এর চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। মাসিক ভিত্তিতে ০.৫% বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যা এপ্রিলের ০.৬%-এর তুলনায় কম। খাদ্য ও জ্বালানি বাদে বিবেচিত মূল মুদ্রাস্ফীতির হার এপ্রিলের ২.৮% থেকে বেড়ে বার্ষিক ভিত্তিতে ২.৯%-এ পৌছাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে, যেখানে মাসিক ভিত্তিতে তা ০.৪% থেকে কমে ০.৩% হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এটি উল্লেখ্য যে, এই প্রতিবেদনটি অত্যন্ত উত্তেজনাকর এক মুহূর্তে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। গত শুক্রবার প্রকাশিত মে মাসের নন-ফার্ম পে-রোলস প্রতিবেদনে প্রত্যাশার দ্বিগুণেরও বেশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে—যার ফলে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরো, পাউন্ড এবং অন্যান্য অ্যাসেটের ব্যাপক দরপতন ঘটেছে—এবং ট্রেডাররা বছরের শেষ নাগাদ ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়ে একরকম নিশ্চিত বলে ধরে নিয়েছে। সিএমই ফেডওয়াচ টুল অনুসারে, ২০২৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত একবার সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৭০%-এর বেশি। যদি ভোক্তা মূল্য সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে বেশি আসে, তাহলে ফেডের নতুন চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শকে আগামী ১৬-১৭ জুনের প্রথম বৈঠকেই ট্রেডারদের কঠোর অবস্থান গ্রহণের সংকেত দিতে হবে। এটি মার্কিন ডলারের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।

As for the current technical picture of GBP/USD, pound buyers need to reclaim the nearest resistance at 1.3390. Only this will allow them to aim for 1.3415, which will be quite difficult to break through. The furthest target will be the area of 1.3440. If the pair falls, bearish traders will try to gain control over 1.3360. If they succeed, a breakout of this range will deliver a serious blow to bullish positions and push GBPUSD down to a low of 1.3330, with the prospect of reaching 1.3299.



EUR/USD পেয়ারের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1555 লেভেলে পুনরুদ্ধারের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। এই লেভেলে পুনরুদ্ধার করা গেলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1580 লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1600 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, তবে বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এই লেভেলে পৌঁছানো যথেষ্ট কঠিন হবে। পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1625-এর লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1530-এর দিকে নামে নেমে, তাহলে আমি প্রধান ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা করছি। যদি মূল্য উক্ত লেভেলে থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় না হয়, তবে 1.1505-এর লেভেলে নতুন করে দরপতনের জন্য অপেক্ষা করাই যুক্তিসঙ্গত হবে বা 1.1480 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে।

GBP/USD পেয়ারের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের মূল্যকে নিকটস্থ রেসিস্ট্যান্স 1.3390-এ পুনরুদ্ধার করতে হবে। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3415 লেভেলের দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার বেশ কঠিন হবে। পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3440 এরিয়া নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3360-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে, এই রেঞ্জ ব্রেকআউট করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর ওপর গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3330-এর দিকে নেমে যেতে পারে, যেখানে পরবর্তীতে 1.3299 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে।

*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।

বিশ্লেষকদের পরামর্শসমূহের উপকারিতা এখনি গ্রহণ করুন
ট্রেডিং অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা করুন
ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খুলুন

ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।

এখন কথা বলতে পারবেন না?
আপনার প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন চ্যাট.