The legend in the InstaSpot team!
Legend! You think that's bombastic rhetoric? But how should we call a man, who became the first Asian to win the junior world chess championship at 18 and who became the first Indian Grandmaster at 19? That was the start of a hard path to the World Champion title for Viswanathan Anand, the man who became a part of history of chess forever. Now one more legend in the InstaSpot team!
Borussia is one of the most titled football clubs in Germany, which has repeatedly proved to fans: the spirit of competition and leadership will certainly lead to success. Trade in the same way that sports professionals play the game: confidently and actively. Keep a "pass" from Borussia FC and be in the lead with InstaSpot!
গতকাল দিনশেষে মার্কিন স্টক এক্সচেঞ্জগুলোতে নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে লেনদেন শেষ হয়েছে: S&P 500 সূচক 0.67% হ্রাস পেয়েছে, নাসডাক 100 সূচক 0.84% হ্রাস পেয়েছে, ডাও জোন্স সূচক 0.65% বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈশ্বিক স্টক মার্কেটে ধারাবাহিকভাবে চার দিনের মতো দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে — MSCI অল কান্ট্রি ওয়ার্ল ইনডেক্স 0.2% হ্রাস পেয়েছে, সেইসাথে এশিয়ার স্টক সূচকগুলো গড়ে প্রায় 1% হ্রাস পেয়েছে। বন্ড মার্কেটে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কারণে এই পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হচ্ছে: 30-বছর মেয়াদী মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ 5.20%-এ উঠে এসেছে (2007 সালের স্তর), এবং 10 বছর মেয়াদী সরকারি বন্ডগুলোর লভ্যাংশ বছরের শুরু থেকে 4.6% কমেছে।
ব্রেন্ট ক্রুডের দর ব্যারেল প্রতি প্রায় $111 লেভেলে অবস্থান করছে। ইরানকে ঘিরে সৃষ্ট ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি বজায় থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যা স্টক মার্কেটে চাপ সৃষ্টি করছে। মূলত শক্তিশালী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কারণে নয়, মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির কারণে বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ। ভূ-রাজনৈতিক পটভূমি এখনো উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে: প্যারিসে G7 ভুক্ত দেশগুলোর সম্মেলনে মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি ও অতিরিক্ত অর্থনৈতিক প্রণোদনা এড়াতে প্রতিশ্রুতি প্রদান করা হয়েছে, এদিকে ন্যাটো হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয় আলোচনা করছে, এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় হামলা শুরু করার হুমকি দেয়ায় অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন।
তাত্ত্বিকভাবে, অর্থনৈতিক স্থবিরতার মধ্যেও স্টক মার্কেট টিকে থাকতে পারে, যদি কর্পোরেট মুনাফা স্টক সূচকগুলোকে সমর্থন করে — এই মতটি পূর্বে ইয়ার্ডেনি রিসার্চ দ্বারা উত্থাপিত হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা সত্ত্বেও, বসন্তকালে স্টক মার্কেটে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা মূলত আয়ের প্রতিবেদন প্রকাশের মৌসুম এবং ফোমো (সুযোগ হারানোর ভয়) দ্বারা সমর্থন পেয়েছিল, কিন্তু সেই লোভ ধীরে ধীরে ভয়ে পরিণত হচ্ছে। ওয়েলস ফার্গো মুদ্রাস্ফীতির চাপ, আর্থিক সংকট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে "বছরের দ্বিতীয়ার্ধে" সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
অতীতের তুলনীয় পরিস্থিতিগুলোতে, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ৭১ শতাংশ ক্ষেত্রে S&P 500 সূচকটি ১০ শতাংশেরও বেশি দরপতনের শিকা হয়েছিল (যা সাধারণ বছরগুলোতে থাকে ৪৪ শতাংশ)। ব্যাংক অফ আমেরিকা মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতার দিকে ইঙ্গিত করেছে: তাদের জরিপ অনুযায়ী, পোর্টফোলিওতে মার্কিন স্টক মার্কেটের 'ওভারওয়েটিং' বা অতিরিক্ত বরাদ্দ এপ্রিল মাসের ১৩ শতাংশ থেকে বেড়ে বর্তমানে ৫০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে (সর্বশেষ ২০২২ সালের জানুয়ারিতে এই স্তরটি পৌঁছেছিল); অন্যদিকে, নগদ অর্থের মজুদ কমে ৩.৯ শতাংশে নেমে এসেছে। S&P সূচকের টানা তিন দিনের দরপতন এবং হেজিংয়ের ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের মধ্যেও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশংকা বৃদ্ধির বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বিস্তারিত জানতে এই লিংকটি ক্লিক করুন।
মার্কিন ডলার সূচকটি ~99.45-এর কাছাকাছি অবস্থিত ছয় সপ্তাহের সর্বোচ্চ লেভেলের উপরে অবস্থান ধরে রাখতে ব্যর্থ হওয়ার পর, 99.25-এর আশেপাশে একটি সংকীর্ণ ও স্থিতিশীল রেঞ্জে মধ্যে থাকা অবস্থায় সপ্তাহটি শেষ হয়েছে। মার্কিন ডলারের দর বর্তমানে ৯৯.৩০–৯৯.৩৫-এর লেভেলে অবস্থান করছে। ফেডারেল রিজার্ভের হকিশ বা কঠোর মুদ্রানীতি প্রণয়নের ইঙ্গিত এবং বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশের হার বৃদ্ধির কারণে মার্কিন ডলার সহায়তা পাচ্ছে; অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হওয়ায় 'নিরাপদ বিনিয়োগ' হিসেবে মার্কিন ডলারের চাহিদা সাময়িকভাবে হ্রাস পেয়েছে।
স্টক মার্কেটের এই পরিস্থিতির মূল চালিকাশক্তি হলো মুদ্রাস্ফীতির অপ্রত্যাশিত ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে নতুন করে মুদ্রানীতির নতুন করে মূল্যায়ন। সিএমই ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা এখন ৫০ শতাংশেরও বেশি বলে ধরা হচ্ছে; এছাড়া ফেডারেল ওপেন মার্কেটের বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ফেড এখন মুদ্রানীতি নমনীয় করার পূর্ববর্তী অবস্থান থেকে সরে আসছে। বন্ড মার্কেটের পরিস্থিতিও মার্কিন ডলারের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে—১০-বছর মেয়াদী ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ ৪.৬০%-এর উপরে পৌঁছেছে, ২০-বছর মেয়াদী বন্ডের লভ্যাংশ ৫.৬০%-এর উপরে এবং ৩০-বছর মেয়াদী বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ ৫.৬৬%-এর বেশি রয়েছে (যা ২০০৭ সালের পর এই প্রথম বহু বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে)—আর এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ডলার-ভিত্তিক অ্যাসেটগুলো তুলনামূলকভাবে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।