empty
 
 
bd
Support
Instant account opening
Trading Platform
Deposit/Withdraw

29.01.202609:29 ফরেক্স বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনা: ২৯ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ও বিশ্লেষণ

Relevance up to 23:00 2026-01-29 UTC--5

বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা:

GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট

Exchange Rates 29.01.2026 analysis

বুধবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের কারেকশন হয়েছে এবং মূল্য নিকটতম সাপোর্ট লেভেল 1.3763-এ পৌঁছেছে। সারাদিন সম্পূর্ণরূপে টেকনিক্যাল কারণে ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতন হয়েছে, কারণ যুক্তরাজ্য বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। সন্ধ্যায় ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক শেষ হওয়ার পর স্পষ্ট হয় যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণভাবে মার্চ মাসেই মুদ্রানীতি নমনীয়করণ কার্যক্রম শুরু করতে পারে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে সম্ভাব্য "শাটডাউনের" সম্ভাবনা এতে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। এক্ষেত্রে বহু সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীকে গত ছয় মাসে দ্বিতীয়বারের মতো ছুটিতে পাঠানো হতে পারে এবং ফেড অনির্দিষ্টকালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন থেকে বঞ্চিত হবে। পাওয়েল সতর্ক করেছেন যে প্রতিবেদন ছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্ধভাবে সিদ্ধান্ত নেবে না। সুতরাং সার্বিক পরিস্থিতি "শাটডাউনের" ওপর নির্ভরশীল, তবুও এতে ব্রিটিশ পাউন্ডের উপর কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবার সকালে পাউন্ডের মূল্য আবারও গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেভেলের কাছাকাছি অবস্থান করছে।

GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট

Exchange Rates 29.01.2026 analysis

বুধবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি চমৎকার ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়া থেকে বাউন্স করেছিল, এরপর মার্কিন সেশনে মূল্য 1.3763 পর্যন্ত নেমে আবারও সেখান থেকে দুইবার বাউন্স করেছে। এই সিগন্যালটি কাজে লাগিয়ে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করে বেশ ভালোই মুনাফা অর্জন করতে পারতেন। 1.3763 লেভেল থেকে দু'বারের বাউন্সের ফলে গঠিত সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে সম্ভবত ট্রেড করা হয়নি, যদিও ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক থাকা সত্ত্বেও ট্রেডিং সিগন্যালটি লাভজনক ছিল।

বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে:

ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। মধ্যমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যায়ে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি নেই, তাই আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে শিগগিরই 1.4000-এর দিকে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে বাঁধা সৃষ্টি করছে।

বৃহস্পতিবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3763-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন করলে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানের মূল্যের 1.3891-1.3912-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।

5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, 1.3763, 1.3814-1.3832। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তাই আজ ট্রাম্প বিষয়ক সংবাদ ও টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর ওপর দৃষ্টিপাত করা উচিত।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।

বিশ্লেষকদের পরামর্শসমূহের উপকারিতা এখনি গ্রহণ করুন
ট্রেডিং অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা করুন
ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খুলুন

ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।

এখন কথা বলতে পারবেন না?
আপনার প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন চ্যাট.