Our team has over 7,000,000 traders!
Every day we work together to improve trading. We get high results and move forward.
Recognition by millions of traders all over the world is the best appreciation of our work! You made your choice and we will do everything it takes to meet your expectations!
We are a great team together!
InstaSpot. Proud to work for you!
Actor, UFC 6 tournament champion and a true hero!
The man who made himself. The man that goes our way.
The secret behind Taktarov's success is constant movement towards the goal.
Reveal all the sides of your talent!
Discover, try, fail - but never stop!
InstaSpot. Your success story starts here!
আজ ট্রাম্পের বক্তব্যের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটের ভবিষ্যত পরিস্থিতি নির্ধারিত হতে পারে। বুধবার মি. ট্রাম্প বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হবেন এবং ট্রেডাররা মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতিটি মন্তব্যের দিকে লক্ষ রাখবেন, বিশেষত গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কিত মন্তব্য এবং "সেল আমেরিকা" বাণিজ্যের পুনরুজ্জীবনকে কেন্দ্র করে মন্তব্যের দিকে বিশেষভাবে দৃষ্টিপাত করা হবে।
প্রশ্ন উঠছে যদি ট্রাম্প তাঁর গ্রিনল্যান্ড পরিকল্পনার বিরোধীতাকারী দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দেন—তাহলে যেসব ইউরোপীয় দেশ ট্রিলিয়ন ডলারের মূল্যের মার্কিন বন্ড ও ইক্যুইটি ধারণ করছে, তারা কি সেই অ্যাসেটগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে? গতকাল এক ডেনিশ পেনশন ফান্ড সকল মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এটি একটি গুরুতর পদক্ষেপ ও ট্রেজারি বন্ডকে ঝুঁকি-মুক্ত অ্যাসেট হিসেবে বিবেচনা করার ধারণার প্রতি একটি চ্যালেঞ্জ।
বিনিয়োগকারীর মনোভাব অস্থির হয়ে আছে। বাণিজ্য-যুদ্ধ ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বাড়িয়েছে। স্বর্ণ এবং উন্নত দেশের অর্থনীতির কারেন্সিগুলোর চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রবণতা কতদিন অব্যাহত থাকবে তা নির্ভর করবে রাজনীতিকদের সুযোগ সন্ধানের এবং সংঘাত কমানোর সক্ষমতার ওপর।
আজ ডাভোসে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো নির্ধারণ করবে অস্থিতিশীলতা বাড়বে, না কি পুনরুদ্ধারের লক্ষণ দেখা দেবে। অনিশ্চিত সময়ে অনুষ্ঠিত ইভেন্টগুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর ভালোভাবে বিশ্লেষণ করাই সফল বিনিয়োগের মূল হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত হয়।
ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ইতোমধ্যেই সুইস স্কি রিসোর্টে উপস্থিত হয়েছেন, গতকাল তিনি জানিয়েছেন যে তিনি ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দের থেকে দৃঢ় প্রতিরোধের আশা করছেন না এবং প্রয়োজনে তারা এই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে রাজি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করে ইউরোপের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ধারণাগুলোকে "মিথ্যা দাবি" বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি শান্ত থাকারও আবেদন জানিয়ে বলেছেন যে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই ধরনের পরিস্থিতি উদ্ভূত হয়েছে এবং তিনি আশাবাদী যে সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ এই উত্তেজনার বৃদ্ধি এড়িয়ে বিষয়টি সমাধান করবেন।
মনে রাখবেন যে ইউরোপীয় দেশগুলো প্রায় 40% মার্কিন ট্রেজারিজের মালিক। বাস্তবে, কোনো একক ইউরোপীয় দেশই সুরক্ষা বা অর্থনৈতিক কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারবে না। অনানুষ্ঠানিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে ন্যাটো সদস্য ডেনমার্কের আর্কটিক অঞ্চলের ভূখণ্ডে মার্কিন আক্রমণের মতো কোনো বড় ঘটনা ছাড়া সত্যিকার অর্থে ট্রেজারি বন্ড বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে না।
এ মুহূর্তে ফরেক্স মার্কেটে স্পষ্টভাবেই ইউরোর দর ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে, এবং মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটছে।
EUR/USD-এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1745 লেভেলে পুনরুদ্ধার করার কথা বিবেচনা করা উচিত। কেবল তাহলেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1765 লেভেলে পৌঁছাতে পারে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1785 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এই লেভেলের উপরে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1810-এর লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করা যায়। এই পেয়ারের দরপতনের ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র মূল্য 1.1714-এর কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হতে পারে। সেখানে কোনো ক্রেতা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1690 লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বা 1.1660 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে।
GBP/USD-এর ক্ষেত্রে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রেতাদের পাউন্ডের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3460 লেভেলে নিয়ে যেতে হবে। কেবল এটি করা গেলে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3490-এর লক্ষ্যমাত্রায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3520-এর লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করা যায়। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, মূল্য 1.3425-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ঐ রেঞ্জ ব্রেক করলে বুলিশ পজিশনগুলোকে মারাত্মকভাবে লিকুইডেট হয়ে যেতে পারে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3400 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, এবং পরবর্তীতে 1.3380 পর্যন্ত দরপতন প্রসারিত হতে পারে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।