The legend in the InstaSpot team!
Legend! You think that's bombastic rhetoric? But how should we call a man, who became the first Asian to win the junior world chess championship at 18 and who became the first Indian Grandmaster at 19? That was the start of a hard path to the World Champion title for Viswanathan Anand, the man who became a part of history of chess forever. Now one more legend in the InstaSpot team!
Borussia is one of the most titled football clubs in Germany, which has repeatedly proved to fans: the spirit of competition and leadership will certainly lead to success. Trade in the same way that sports professionals play the game: confidently and actively. Keep a "pass" from Borussia FC and be in the lead with InstaSpot!
গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রেক্ষিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে সমর্থনকারী দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি প্রদান করলে তার জবাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে—এই সংবাদ প্রকাশের পর মার্কিন ডলার তীব্র দরপতনের শিকার হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করতে পারে, যা ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে জন্য বজ্রপাতের মতো ছিল।
বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির উপর ভয়াবহ আঘাতের আশঙ্কায় দ্রুত ডলারভিত্তিক অ্যাসেটগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলস্বরূপ ডলার সূচকের ব্যাপক পতন হয় এবং ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পায়। ওয়াশিংটনের চাপের বিরুদ্ধে ইইউ-এর এমন সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন—এটি ঐক্য এবং দৃঢ়তার এক অভূতপূর্ব প্রদর্শনী হবে। এই বিরোধের দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি কী হবে সেই পূর্বাভাস দেয়া কঠিন। চুক্তি ভেস্তে গেলে উভয়পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—কারণ শুল্ক বৃদ্ধি পাবে, বাণিজ্যের পরিমাণ হ্রাস পাবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতাও দেখ যেতে পারে।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বৃহৎ রাজনৈতিক গোষ্ঠী ইউরোপিয়ান পিপলস পার্টির প্রেসিডেন্ট ম্যানফ্রেড ওয়েবার গত শনিবার বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি করা এখন আর সম্ভব নয়। ওয়েবার লিখেছেন যে ইইউ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে সমর্থন করে, তবু ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড-সম্পর্কিত হুমকির পর এই মুহূর্তে এর বাস্তবায়ন কার্যত অসম্ভব। তিনি আরও বলেছেন যে মার্কিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত ইইউ-এর সম্মতিটিও স্থগিত করা উচিত।
উল্লেখযোগ্য যে ইইউ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তি, যেটি গত গ্রীষ্মে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন এবং ট্রাম্পের মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছিল, ইতোমধ্যেই বলবৎ হলেও এখনও সংসদীয় অনুমোদন বাকি আছে। উক্ত চুক্তিতে ইইউ-এর বেশিরভাগ পণ্যের ওপর 15% মার্কিন শুল্ক ধার্য করা হয়েছিল, বিনিময়ে ইইউ-এর পক্ষ থেকে মার্কিন শিল্পভিত্তিক পণ্য ও নির্দিষ্ট কৃষি পণ্যের ওপর শুল্ক প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। ভন ডার লেয়েন, যিনি ইইউ-এর পক্ষে আলোচনা নেতৃত্ব দিয়েছেন, বাণিজ্যযুদ্ধ এড়ানোর উদ্দেশ্যে ওই চুক্তি করেছিলেন।
গত শনিবার ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে গ্রিনল্যান্ডকে সমর্থনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর পণ্যের ওপর 10% শুল্ক কার্যকর করা হবে। তিনি বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে "সম্পূর্ণ ও চূড়ান্ত" ক্রয়ের কোনো চুক্তি না হয় তাহলে শুল্ক 25%-এ বাড়িয়ে দেওয়া হবে।
ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণাটির বিরুদ্ধে সমালোচনা করেন এবং তারা এই পদক্ষেপের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করছেন। ভন ডার লেয়েন বলেন যে এই শুল্কসমূহ ট্রান্সঅটলান্টিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বিপজ্জনক হ্রাসের ঝুঁকি বাড়াবে, আর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোন ট্রাম্পের হুমকিগুলো অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন।
এছাড়াও জানা গেছে যে ইইউ এমন পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে যার ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর 10% শুল্ক বাস্তবায়ন করেন, তাহলে মার্কিন পণ্যের ওপর €93 billion মূল্যমানের শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
ইইউ শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত পদক্ষেপের পরিকল্পনাও করেছে, তবে তাঁরা প্রথমে কূটনৈতিকভাবে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা চালাবে।
EUR/USD-এর টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1645 লেভেলে পুনরুদ্ধারের বিষয়টি বিবেচনা করা চলতি। কেবল উক্ত লেভেল অতিক্রম করলেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1675-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যেতে সক্ষম হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1700 পর্যন্ত আরো বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বড় ট্রেডারদের সমর্থন না ছাড়া আরও বৃদ্ধি পাওয়া কঠিন হবে। আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.1720-এ পৌঁছাতে পারে। দরপতনের ক্ষেত্রে সম্ভবত কেবল মূল্য 1.1610-এর কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে। যদি সেখানে ক্রেতারা সক্রিয়ভাবে না ক্রয় করেন, তাহলে 1.1580-এ দরপতনের জন্য অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে—অথবা 1.1550 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে।
GBP/USD-এর ক্ষেত্রে, পাউন্ডের ক্রেতাদের প্রথমে এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3410-এ নিয়ে যেতে পারে দখল করা। কেবল তখনই এই পেয়ারের মূল্য 1.3440-এর দিকে যেতে পারে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.3460-এর কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3380-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জের ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর উপর মারাত্মক আঘাত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3360 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখানে 1.3340 পর্যন্ত দরপতন প্রসারিত হওয়ার সুযোগ রাখে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।