The legend in the InstaSpot team!
Legend! You think that's bombastic rhetoric? But how should we call a man, who became the first Asian to win the junior world chess championship at 18 and who became the first Indian Grandmaster at 19? That was the start of a hard path to the World Champion title for Viswanathan Anand, the man who became a part of history of chess forever. Now one more legend in the InstaSpot team!
Borussia is one of the most titled football clubs in Germany, which has repeatedly proved to fans: the spirit of competition and leadership will certainly lead to success. Trade in the same way that sports professionals play the game: confidently and actively. Keep a "pass" from Borussia FC and be in the lead with InstaSpot!
এদিকে, মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে মার্কিন ডলারের দর কিছু ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের বিপরীতে বৃদ্ধি পেলেও, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট গতকাল আবারও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক সংক্রান্ত মামলাগুলোর ব্যাপারে কোনো রায় দেননি। ফলে তাঁর স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক নীতিমালার ভাগ্য জানার জন্য বিশ্ববাসীকে অবশ্যই অন্তত পরবর্তী সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
এই বিলম্বের ফলে বৈশ্বিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে এবং ব্যবসায়িক আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, কারণ এই আরোপিত শুল্কগুলো সরবরাহ খাতে চাপ সৃষ্টি করে ক্রেতা পর্যায়ে পণ্যের মূল্য বাড়াচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টে বিবেচিত মামলাগুলোতে ট্রাম্প যে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর এবং কয়েকটি প্রধান মার্কিন বাণিজ্য অংশীদারের অন্যান্য পণ্যের ওপর আরোপ করেছেন সেই শুল্কগুলোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। মামলাকারীরা যুক্তি দিচ্ছেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাণিজ্য আইনের অধীনে তার ক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছেন এবং সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। যদি সুপ্রিম কোর্ট এসব শুল্ককে বৈধতা দেয়, তাহলে শুল্ক একটি বৈদেশিক নীতির উপকরণ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে এবং অন্যান্য দেশকেও আরও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়ার প্ররোচনা দিতে পারে।
রায় প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় নির্মাতা, খুচরা ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সহ বহু অংশীজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকরা ভবিষ্যৎ বাণিজ্য খরচ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে তাদের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করতে সংগ্রাম করছে। একই সঙ্গে ভোক্তাদেরকে শুল্ক প্রধান পণ্যের জন্য বেশি দাম দিতে হচ্ছে।
কোর্ট এখনও জানায়নি পরবর্তীতে কখন রায় ঘোষণা করা হবে, তবে পরবর্তী শুনানি সম্ভবত আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার বা বুধবার নির্ধারিত হতে পারে, যখন বিচারপতিরা পুনরায় সংবিধিবদ্ধ হবেন।
উপরোক্ত পরিস্থিতিতে কিছু সংস্থার স্টক ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোর্টের রায় না দেয়ার কারণে কনজিউমার কোম্পানি লুলুলেমন অ্যাথলেটিকা ইনকর্পোরেটেড ও ম্যাটেল ইনকর্পোরেটেডের শেয়ারের দরপতন ঘটেছে, এবং পাওয়ার টুল নির্মাতা স্ট্যানলি ব্ল্যাক ও ডেকার ইনকর্পোরেটেডের স্টক আগের বৃদ্ধি হারিয়ে ফেলেছে।
মনে করিয়ে দিই, ৫ নভেম্বরের শুনানিতে কোর্ট শঙ্কা প্রকাশ করেছিল যে ট্রাম্প 1977 সালের সেই আইনের অধীনে, যা জরুরি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপ্রধানকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করে, সেই আইনের ওপর ভিত্তি করে শুল্ক আরোপ করার অধিকার সংর৯ক্ষণ করেন কি না তা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। শুল্ক-সংক্রান্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট যদি ট্রাম্পের বিপক্ষে রায় দেয়, তবে এটি হোয়াইট হাউসে প্রত্যাবর্তনের পর থেকে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় আইনি পরাজয় হিসেবে বিবেচিত হবে।
উল্লেখ্য যে, কোর্টের রায় না দেয়ার ফলে ফরেক্স মার্কেটে কোনো প্রভাব পরিলক্ষিত হয়নি।
EUR/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এখন মূলত এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1650 লেভেলে নিয়ে যাওয়ার দিকে মনোযোগ দেয়া দরকার। কেবল এটি করা গেলেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1680-এ পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1710 পর্যন্ত বাড়তে পারে, তবে বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া এটি করা যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1740-এর সর্বোচ্চ লেভেল। যদি ইনস্ট্রুমেন্টটির দরপতন ঘটে, তবে আমি কেবল এই পেয়ারের মূল্য 1.1630-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় বড় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা করছি। সেখানে কেউ সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্য 1.1610-এর লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা উচিত হবে, অথবা 1.1591 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যুক্তিযুক্ত হবে।
GBP/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3440-এ নিয়ে যেতে হবে। কেবল এই লেভেল অতিক্রম করলেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3460-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3490 লেভেল নির্ধারণ করা হয়েছে। দরপতনের ক্ষেত্রে মূল্য 1.3415 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা এতে সফল হয়, তাহলে এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর জন্য গুরুতর ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3390-এর দিকে নেমে যাবে, যেখান থেকে 1.3370-এ যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।