The legend in the InstaSpot team!
Legend! You think that's bombastic rhetoric? But how should we call a man, who became the first Asian to win the junior world chess championship at 18 and who became the first Indian Grandmaster at 19? That was the start of a hard path to the World Champion title for Viswanathan Anand, the man who became a part of history of chess forever. Now one more legend in the InstaSpot team!
Borussia is one of the most titled football clubs in Germany, which has repeatedly proved to fans: the spirit of competition and leadership will certainly lead to success. Trade in the same way that sports professionals play the game: confidently and actively. Keep a "pass" from Borussia FC and be in the lead with InstaSpot!
বুধবার, মার্কিন ডলারের দর ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে সামান্য বৃদ্ধি পায়, যদিও ফেডারেল রিজার্ভের কর্মকর্তা স্টিভেন মিরানের গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যগুলো মার্কেটে কার্যত উপেক্ষিত হয়েছে। মিরান বলেন, বর্তমান নীতিমালা মার্কিন অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং ২০২৬ সালে ফেডের এক শতাংশের বেশি সুদের হার কমানোর প্রয়োজন হতে পারে।
মিরান মঙ্গলবার এক বক্তব্যে বলেন, বর্তমান নীতিমালাকে 'নিরপেক্ষ' বলা কঠিন—বরং এটি যে স্পষ্টতই কঠোর এবং অর্থনীতির উপর চাপ সৃষ্টি করছে, তা পরিষ্কার। সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, চলতি বছর ১০০ বেসিস পয়েন্টের বেশি হারে সুদের হার কমানো যুক্তিযুক্ত হবে।
তার এই মতামত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সমর্থন এবং শ্রমবাজার টিকিয়ে রাখার মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে। মিরানের মতে, যদিও কঠোর নীতিমালার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, এই একই নীতি ভোক্তা ঋণ, বিনিয়োগ ও সামগ্রিক ব্যবসায়িক মনোভাবকে বাধাগ্রস্ত করছে।
এই ধরনের জটিল বাস্তবতায়, মিরানের পক্ষ থেকে আরও বেশি মাত্রায় সুদের হার হ্রাসের আহ্বান অনেক বিশ্লেষকের কাছে যৌক্তিকই মনে হয়েছে। এই ধরনের নীতিগত নমনীয়করণ অর্থনীতির উপর চাপ কমাতে পারে, শ্রমবাজার ও চাহিদা শক্তিশালী করতে পারে, এবং অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।
গত মাসে, ফেড কর্মকর্তারা টানা তৃতীয়বারের মতো সুদের হার কমালেও, তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন—নিকটবর্তী সময়ে আরও সুদের হার কমানোর ব্যাপারে কোনো নিশ্চয়তা নেই। নীতিনির্ধারকগণ মূল্যস্ফীতি ও শ্রমবাজারের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে বিভক্ত অবস্থানে রয়েছেন, এবং তাদের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মাত্র একবার সুদের হার কমানো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মিরান এমন এক সময় এই মন্তব্য করলেন, যখন এই সপ্তাহে ফেডের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে আর্থিক নীতিমালা হয়তো এখন নিরপেক্ষ বা তার কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছে। মঙ্গলবার রিচমন্ড ফেডের প্রেসিডেন্ট টম বারকিন ইঙ্গিত দেন যে, ডিসেম্বরে প্রকাশিত নিরপেক্ষ হারের পূর্বাভাসকৃত স্তরের মধ্যে বর্তমান সুদের হার অবস্থান করছে। মিনিয়াপলিস ফেড প্রেসিডেন্ট নীল কাশকারি সোমবার বলেন, তার মতে বর্তমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নীতিমালা মোটামুটি নিরপেক্ষ অবস্থায় রয়েছে।
বর্তমানে ফেডের মূল সুদের হার ৩.৫০% থেকে ৩.৭৫%–এর মধ্যে রয়েছে। ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির ১৯ সদস্যের মধ্যে নিরপেক্ষ হার সংক্রান্ত পূর্বাভাস ২.৬% থেকে ৩.৯%–এর মধ্যে রয়েছে।
EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট
ক্রেতাদের এখন এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1715 লেভেলে নিয়ে যাওয়ার দিকে নজর দেওয়া উচিত। এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেলে গেলে 1.1740 লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে 1.1765-এর দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও মার্কেট বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এটি বাস্তবায়ন করা কঠিন হতে পারে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1800-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করা যেতে পারে।
অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের দরপতন ঘটে, তাহলে মূল্য 1.1670 লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি ক্রয়ের চাহিদা দেখা যেতে পারে। সেখানে যদি যথেষ্ট ক্রেতারা সক্রিয় না হয়, তাহলে 1.1640–এ দরপতনের জন্য অপেক্ষা করা যেতে পারে, অথবা 1.1616 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে।
GBP/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট
পাউন্ডের ক্রেতাদের এখন মূল্যকে 1.3500–এর নিকটবর্তী রেজিস্ট্যান্সে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা উচিত। এটি বাস্তবায়িত হলে, এই পেয়ারের মূল্য 1.3530 লেভেলের দিকে যেতে পারে; তবে এই রেঞ্জ ব্রেকআউট করে মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3560 এরিয়া নির্ধারণ করা যেতে পারে।
যদি এই পেয়ারের মূল্য কমে যায়, মূল্য 1.3470–এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে, সেটি বুলিশ পজিশনের উপর বড় ধরনের আঘাত আসবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3440 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, এরপর দরপতন আরও প্রসারিত হয়ে মূল্য 1.3415 লেভেলে পৌঁছাতে পারে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।