Our team has over 7,000,000 traders!
Every day we work together to improve trading. We get high results and move forward.
Recognition by millions of traders all over the world is the best appreciation of our work! You made your choice and we will do everything it takes to meet your expectations!
We are a great team together!
InstaSpot. Proud to work for you!
Actor, UFC 6 tournament champion and a true hero!
The man who made himself. The man that goes our way.
The secret behind Taktarov's success is constant movement towards the goal.
Reveal all the sides of your talent!
Discover, try, fail - but never stop!
InstaSpot. Your success story starts here!
মঙ্গলবার এক ঘণ্টার টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3344–1.3357 সাপোর্ট জোন থেকে দুইবার রিবাউন্ড করেছে, যার ফলে রিভার্সাল ঘটে এবং পাউন্ডের মূল্য 1.3425 লেভেলের ওপরে উঠে যায়। এর ফলে, আজ 161.8% ফিবোনাচি রিট্রেসমেন্ট লেভেল 1.3520 পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। অন্যদিকে, যদি মূল্য 1.3425-এর নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হতে পারে এবং এই পেয়ারের মূল্য আবার 1.3344–1.3357 এর সাপোর্ট জোনের দিকে নেমে যেতে পারে।
সাম্প্রতিক বুলিশ মুভমেন্টের ফলে ওয়েভ স্ট্রাকচার আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ আপওয়ার্ড ওয়েভটি পূর্ববর্তী হাই লেভেল ব্রেক করেছে, কিন্তু শেষ ডাউনওয়ার্ড ওয়েভটি পূর্ববর্তী লো ব্রেক করতে ব্যর্থ হয়েছে। এর মানে, আগের "বিয়ারিশ" প্রবণতা এখন "বুলিশ"-এ রূপান্তরিত হয়েছে। তবে 1.3425-এর উপরে আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের জন্য নতুন কোনো ঘোষণার প্রয়োজন হতে পারে—বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে নতুন শুল্ক বা আমদানি শুল্ক আরোপের খবর। এখন পর্যন্ত, বিক্রেতারা শুধুমাত্র দুর্বল হয়েছে ও নিষ্ক্রিয় ছিল।
মঙ্গলবার কোনো উল্লেখযোগ্য সংবাদ ছিল না, তবে বুধবার সকালে যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। শুরুতেই উল্লেখ করা দরকার যে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড মাত্র এক সপ্তাহ আগে সুদের হার কমিয়েছিল, কারণ মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাচ্ছিল বলে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছিল। অথচ আজ প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, হেডলাইন কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স এপ্রিল মাসে 2.6% থেকে বেড়ে 3.5%-এ পৌঁছেছে। এটি স্পষ্টত ট্রাম্পের শুল্কের প্রতি দেশটির অর্থনীতির প্রতিক্রিয়া। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি আগেই সতর্ক করেছিলেন যে বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে—এবং বাস্তবে সেটাই ঘটেছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে: যদি মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা থাকত, তাহলে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড কেন সুদের হার কমিয়েছে?
কোর CPI-ও 3.4% থেকে বেড়ে 3.8% হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই ফলাফল ট্রেডারদের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে। পাউন্ডের মূল্য রাত থেকেই ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে, যেন অনেক প্রফেশনাল ট্রেডার আগেই জানতেন মূল্যস্ফীতি বাড়তে যাচ্ছে। যেভাবেই হোক, ক্রেতারা এখন আবার আক্রমণাত্মক অবস্থানে এসেছে, এবার দৃঢ় মৌলিক ভিত্তিও রয়েছে। চলতি সপ্তাহেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেডিট রেটিং ডাউনগ্রেড হয়েছে এবং যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে—ফলে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের পক্ষ থেকে শিগগিরই আরও নীতিমালার নমনীয়করণ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কম।
৪-ঘণ্টার চার্টে, পেয়ারটির মূল্য 100.0% ফিবোনাচি লেভেল 1.3435-এ ফিরে এসেছে। এই লেভেল থেকে যদি নতুন রিবাউন্ড ঘটে, তাহলে মার্কিন ডলারের পক্ষে মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে এবং মূল্য 1.3118-এর দিকে নামতে পারে। অন্যদিকে, 1.3435-এর ওপরে কনসোলিডেশন ঘটলে পরবর্তী ফিবোনাচি লেভেল 127.2% – 1.3794 পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী মুভ চালিয়ে যেতে পারে। আজ কোনো ইনডিকেটরে ডাইভারজেন্সের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।গত সপ্তাহের রিপোর্ট অনুযায়ী "নন-কমার্শিয়াল" গ্রুপের ট্রেডারদের বুলিশ সেন্টিমেন্ট সামান্য কমে গিয়েছে। স্পেকুলেটরদের হোল্ড করা লং পজিশন 4,844টি কমেছে, এবং শর্ট পজিশন কমেছে 2,825টি। দীর্ঘদিন ধরেই বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণে নেই। বর্তমানে লং ও শর্ট পজিশনের ব্যবধান ক্রেতাদের পক্ষে 27,000: লং 89,000 বনাম শর্ট 62,000।
আমার মতে, এখনো পাউন্ডের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী মার্কেটে দীর্ঘমেয়াদে রিভার্সাল ঘটাতে পারে। গত তিন মাসে লং পজিশন 65,000 থেকে 92,000-এ বেড়েছে এবং শর্ট পজিশন 76,000 থেকে 62,000-এ কমেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে ডলারের প্রতি আস্থা দুর্বল হয়েছে এবং COT রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে যে ট্রেডারদের মধ্যে মার্কিন গ্রিনব্যাক কেনার আগ্রহ কমে গেছে।
যুক্তরাজ্য – ভোক্তা মূল্য সূচক (06:00 UTC)
বুধবারের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। বাকি দিনের জন্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট ট্রেডিং সেন্টিমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই আশা করা হচ্ছে।
আজ ৪-ঘণ্টার চার্টে যদি 1.3435 লেভেল থেকে বাউন্স হয়, তাহলে সেল এন্ট্রি নেওয়া যেতে পারে, টার্গেট হবে 1.3344–1.3357 এবং 1.3205। এর আগে, 1.3344–1.3357 জোনের ওপরে ব্রেকআউটে বাই পজিশন নেওয়া সম্ভব ছিল, যার টার্গেট ছিল 1.3425—এবং সেই টার্গেট ইতোমধ্যে পূরণ হয়েছে। যতক্ষণ না পেয়ারটির মূল্য 1.3425-এর নিচে থাকা অবস্থায় সেশন শেষ হয়, ততক্ষণ লং পজিশন হোল্ড করা যেতে পারে, এক্ষেত্রে টার্গেট হবে 1.3520 এর লেভেল।
ফিবোনাচি লেভেল গ্রিড এক ঘণ্টার চার্টে 1.3205–1.2695 এর মধ্যে এবং ৪-ঘণ্টার চার্টে 1.3431–1.2104 এর মধ্যে রয়েছে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।