Our team has over 7,000,000 traders!
Every day we work together to improve trading. We get high results and move forward.
Recognition by millions of traders all over the world is the best appreciation of our work! You made your choice and we will do everything it takes to meet your expectations!
We are a great team together!
InstaSpot. Proud to work for you!
Actor, UFC 6 tournament champion and a true hero!
The man who made himself. The man that goes our way.
The secret behind Taktarov's success is constant movement towards the goal.
Reveal all the sides of your talent!
Discover, try, fail - but never stop!
InstaSpot. Your success story starts here!
মার্কিন স্টক মার্কেটে তীব্র অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে। পর্ব ২
সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান স্টক সূচকগুলোর পারফরম্যান্স: ডাও জোন্স -0.9%, নাসডাক +0.1%, S&P 500 সূচক -0.2%, S&P 500 সূচক: 5,062, ট্রেডিং রেঞ্জ: 4,800–5,700।
সপ্তাহের প্রথম সেশনে স্টক মার্কেটে চরম অস্থিরতা দেখা গেছে এবং গড়পরতার তুলনায় ট্রেডিং ভলিউম বেশি ছিল।
S&P 500 সূচক (-0.2%), যেটি বিয়ার মার্কেট জোনে (সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ থেকে 20% নিচে) ট্রেড করছিল এবং সেশনের লো লেভেলের কাছাকাছি অবস্থান করছিল, তার দৈনিক সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন লেভেলের মধ্যে 400 পয়েন্টের বেশি ওঠানামা হয়েছে। মার্কেটে ট্রেডিং শুরু হওয়ার পর সূচকটি 4.7% পর্যন্ত নিচে নেমে যায় এবং সর্বোচ্চ পয়েন্টে 3.4% পর্যন্ত রিবাউন্ড করে।
নাসডাক কম্পোজিট সূচক, যেটি দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন পয়েন্টে পৌঁছাতে 800 পয়েন্টের বেশি হারিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত 0.1% ঊর্ধ্বমুখী হয়ে লেনদেন শেষ করতে সক্ষম হয়—যা বিশাল মূলধনসম্পন্ন কোম্পানি এবং চিপমেকারদের শেয়ারের দর বৃদ্ধির কারণে হয়েছে।
সেশনের সর্বনিম্ন থেকে প্রাথমিক রিবাউন্ডটি ঘটে এক ভ্রান্ত প্রতিবেদনের পর, যেখানে বলা হয়েছিল NEC ডিরেক্টর কেভিন হাসেট বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীন ব্যতীত অন্য দেশের ক্ষেত্রে ৯০ দিনের জন্য শুল্ক স্থগিত করার কথা ভাবছেন।
পরবর্তীতে হোয়াইট হাউস এই প্রতিবেদন "ভুল সংবাদ" বলে অভিহিত করে এবং জানায়, যদি চীন যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর আরোপিত 34% শুল্ক না তুলে নেয়, তাহলে বুধবার থেকে চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত 50% শুল্ক আরোপ করা হবে।
এই ঘোষণার পর পুনরায় মার্কেটে স্টক বিক্রির প্রবণতা শুরু হয়, যদিও প্রধান সূচকগুলো সেশনের সর্বনিম্ন লেভেলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে উপরে ছিল। একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল ট্রেজারি মার্কেটে বিপরীতমুখী প্রবণতা, যা সূচকগুলোর নিম্নমুখী প্রবণতা কিছুটা কমিয়ে দেয়।
সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে মার্কেটে ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ কমছিল, তবে ঐদিন ১০ বছরের বন্ডের লভ্যাংশ ১৭ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় 4.16%-এ, এবং ২ বছরের বন্ডের লভ্যাংশ ৬ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে 3.73%-এ পৌঁছায়।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত স্টক মার্কেটের পারফরম্যান্স:
ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ: -10.8%
S&P 500 সূচক: -13.9%
S&P মিডক্যাপ 400 সূচক: -16.1%
রাসেল 2000 সূচক: -18.8%
নাসডাক কম্পোজিট সূচক: -19.2%
আজ খুব বেশি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, যেখানে ফেব্রুয়ারিতে কনজিউমার ক্রেডিট $0.8 বিলিয়ন হ্রাস পেয়েছে (সম্মিলিত পূর্বাভাস ছিল +$15.1 বিলিয়ন)। জানুয়ারিতে এটি পূর্বের $18.1 বিলিয়ন থেকে ঊর্ধ্বমুখীভাবে সংশোধিত হয়ে $8.9 বিলিয়ন হয়েছে।
মূল বিষয় হলো, গত চার মাসে তৃতীয়বারের মতো ফেব্রুয়ারিতে কনজিউমার ক্রেডিটের পতন ঘটেছে।
জ্বালানি: ব্রেন্ট ক্রুডের দর $64.90-এ পৌঁছেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক ইকুইটি মার্কেটে তীব্রভাবে বিক্রি প্রবণতার প্রতিফলন হিসেবে তেলের দামে সামান্য বৃদ্ধির পেয়েছে, যার ফলে দাম $65-এর কাছাকাছি পৌঁছেছে। এটি ট্রাম্পের শুল্ক যুদ্ধ শুরুর আগের দামের তুলনায় প্রায় $10 কম। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান বাণিজ্য সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্থরতার আশঙ্কা এবং অপরিশোধিত তেলের চাহিদা হ্রাস পাওয়ায় তেলের বাজার এখনও চাপের মধ্যে রয়েছে।
উপসংহার:
২ এপ্রিল ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এর চিত্র ক্রমে স্পষ্ট হচ্ছে। এই যুদ্ধে মূল ফ্রন্টলাইন হলো যুক্তরাষ্ট্র বনাম চীন। দ্বিতীয় প্রধান পক্ষ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যারা একদিকে সীমিত পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে, অন্যদিকে আলোচনার চেষ্টা করছে। জাপান ট্রাম্পের সঙ্গে সক্রিয় আলোচনায় রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইউরোপ ও জাপান তুলনামূলকভাবে কম শুল্কের মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে চীনের ওপর ইতোমধ্যে 34% ও 20% শুল্ক আরোপ করা হয়েছে—যা মোট 54%—এবং ৮ এপ্রিলের মধ্যে চীন যদি নিজেদের 34% পাল্টা শুল্ক না তুলে নেয়, তাহলে আরও 50% শুল্ক আরোপের হুমকি দেয়া হয়েছে। চীন ইতোমধ্যে সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে।
উভয় পক্ষের মধ্যে পিছু হটার কোনো ইঙ্গিত নেই। 100% শুল্ক আরোপ হলে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়তে পারে—যা ১৯৭৮ সালের নিক্সন-কিসিঞ্জার যুগ থেকে চলমান গভীর বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের সমাপ্তি ঘটাবে। এখন বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, এই বাণিজ্য যুদ্ধের যৌক্তিক পরিণতি হিসেবে চীনের পক্ষ থেকে তাইওয়ান ঘিরে সামরিক উত্তেজনার বড় রকমের বৃদ্ধি ঘটতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সরাসরি সামরিক সংঘাত এবং তার বৈশ্বিক প্রভাবের ঝুঁকি বাস্তবরূপ ধারণ করেছে।
মার্কিন স্টক মার্কেটে পূর্বাভাস:
সাম্প্রতিক সর্বনিম্ন লেভেল এবং নিম্নমুখী লেভেল থেকে ওপেন করা লং পজিশনগুলো হোল্ড করে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। চলমান বাণিজ্যযুদ্ধজনিত উদ্বেগ সত্ত্বেও মার্কিন স্টক মার্কেটে একটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শক্তিশালী পুলব্যাকগুলো নতুন করে ক্রয় করার সুযোগ এনে দিতে পারে।
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।
ইন্সটাফরেক্স বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনাগুলো আপনাকে মার্কেট প্রবণতা সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন করবে! ইন্সটাফরেক্সের একজন গ্রাহক হওয়ায়, দক্ষ ট্রেডিং এর জন্য আপনাকে অনেক সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।